Archive

Category Archives for "টিপস"

বাংলা ব্যাকরণ ধ্বনি পরিবর্তন মনে রাখার কৌশল

বাংলা ব্যাকরণ ধ্বনি পরিবর্তন,ধ্বনির পরিবর্তন কত প্রকার । ধ্বনি পরিবর্তন মনে রাখার কৌশল। আমরা অনেকেই চাকরির প্রস্তুতি নিতে অনলাইনে আসি। আজকে তাদের জন্য নতুন টপিক নিয়ে আশা। আজকে আমরা ধ্বনির পরিবর্তন কত প্রকার। ধ্বনি পরিবর্তন মনে রাখার কৌশল নিচে দেওয়া হলো-

ধ্বনি পরিবর্তন : ভাষা সর্বদা পরিবর্তনশীল। কোন ভাষার পরিবর্তন নিয়ম বা ব্যাকরণ দিয়ে বন্ধ করে দিলে সে ভাষা আস্তে আস্তে মরে যায়। যেমন মরে গেছে সংস্কৃত ভাষা। মানুষের মুখে মুখে উচ্চারণের সুবিধার্থে ভাষার শব্দ, মূলত শব্দের অন্তর্গত ধ্বনি নানাভাবে পরিবর্তিত হয়। তবে এই পরিবর্তনও কিছু নিয়ম মেনে হয়ে থাকে। ধ্বনির এই পরিবর্তনই মূলত ভাষার পরিবর্তন ঘটায়। ধ্বনির পরিবর্তনের নিয়ম বা প্রক্রিয়াগুলো নিচে দেয়া হলো-

শব্দ ভাঙার কৌশল : ধ্বনি পরিবর্তন পড়ার আগে একটি কৌশল শিখে নেয়া জরুরি। শব্দের অন্তর্গত ধ্বনিগুলো আলাদা করার বা ভাঙার কৌশল। শব্দ ভাঙার সময় যেই ধ্বনি আগে উচ্চারিত হয়েছে, সেটিকে আগে লিখতে হবে।

শব্দে স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি পূর্ণাঙ্গ রূপে থাকার পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত রূপে কার ও ফলা আকারেও থাকে। শব্দ ভাঙার সময় এগুলোকেও বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া একটি স্বরধ্বনির কোন সংক্ষিপ্ত রূপ বা ‘কার’ নেই- ‘অ’-এর।

এটি বিভিন্ন ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে মিলিত রূপে উচ্চারিত হয়, কিন্তু তার কোন প্রতীক বা ‘কার’ আমরা লেখি না। শব্দ ভাঙার সময় এই উহ্য ‘অ’-কেও লিখতে হবে। যেমন- ‘এখানে বসতি গাড়ে এক দঙ্গল পশু’ বাক্যটির সবগুলো শব্দ ভাঙলে হবে-

এখানে = এ+খ+আ+ন+এ
বসতি = ব+অ+স+অ+ত+ই
গাড়ে = গ+আ+ড়+এ
এক = এ+ক
দঙ্গল = দ+ঙ+গ+অ+ল
পশু = প+শ+উ
উল্লেখ্য, যুক্তব্যঞ্জনের ভেতরে কোন উহ্য ‘অ’ থাকে না।]

১. আদি স্বরাগম : শব্দের আদিতে বা শুরচতে স্বরধ্বনি এলে তাকে বলা হয় আদি স্বরাগম। যেমন, ‘স্কুল’ শব্দটি উচ্চারণের সুবিধার জন্য শুরচতে ‘ই’ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ‘ইস্কুল’ হয়ে গেছে। এটি আদি স্বরাগম। এরকম- স্টেশন˃ ইস্টিশন, স্ট্যাবল˃ আস্তাবল, স্পর্ধা˃ আস্পর্ধা

২. মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি : শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনি আসলে তাকে বলে মধ্য স্বরাগম। যেমন, ‘রত্ন’ (র+অ+ত+ন+অ) শব্দের ‘ত’ ও ‘ন’-র মাঝখানে একটি অ যুক্ত হয়ে হয়েছে ‘রতন’। এটি মধ্য স্বরাগম। এরকম- ধর্ম˃ ধরম, স্বপ্ন˃ স্বপন, হর্ষ˃ হরষ, প্রীতি˃ পিরীতি, ক্লিপ˃ কিলিপ, ফিল্ম˃ ফিলিম, মুক্তা˃ মুকুতা, তুর্ক˃ তুরুক, ভ্রু˃ ভুরু, গ্রাম˃ গেরাম, প্রেক˃ পেরেক, স্রেফ˃ সেরেফ, শ্লোক˃ শোলোক, মুরগ˃ মুরোগ˃ মোরোগ,

৩. অন্ত্যস্বরাগম : শব্দের শেষে একটা অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসলে তাকে বলে অন্ত্যস্বরাগম। যেমন, ‘দিশ্’-র সঙ্গে অতিরিক্ত ‘আ’ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে হয়েছে ‘দিশা’। এরকম- পোক্ত্˃ পোক্ত, বেঞ্চ˃ বেঞ্চি, সত্য˃ সত্যি

৪. অপিনিহিতি : পরের ‘ই’ বা ‘উ’ স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ‘ই’ বা ‘উ’ স্বরধ্বনি উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন, ‘আজি (আ+জ+ই) শব্দের ‘ই’ আগে উচ্চারিত হয়ে হয়েছে ‘আইজ’ (আ+ই+জ)। এরকম- সাধু˃ সাউধ, রাখিয়া˃ রাইখ্যা, বাক্য˃ বাইক্য, সত্য˃ সইত্য, চারি˃ চাইর, মারি˃ মাইর

৫. অসমীকরণ : দুটো একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে একটি অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে বলে অসমীকরণ। যেমন, ধপ+ধপ˃ (মাঝখানে একটি অতিরিক্ত আ যোগ হয়ে) ধপাধপ। এরকম- টপ+টপ˃ টপাটপ

৬. স্বরসঙ্গতি : দুটি স্বরধ্বনির মধ্যে সঙ্গতি রক্ষার্থে একটির প্রভাবে আরেকটি পরিবর্তিত হলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, ‘দেশি’ (দ+এ+শ+ই)˃ (‘ই’-র প্রভাবে ‘এ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ই’ হয়ে) ‘দিশি’। স্বরসঙ্গতি ৫ প্রকার-

ক. প্রগত : আগের স্বরধ্বনি অনুযায়ী পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে, তাকে প্রগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, মুলা˃ মুলো, শিকা˃ শিকে, তুলা˃ তুলো

খ.পরাগত : পরের স্বরধ্বনি অনুযায়ী আগের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে, তাকে পরাগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, আখো˃ আখুয়া˃ এখো, দেশি˃ দিশি

গ. মধ্যগত : অন্যান্য স্বরধ্বনির প্রভাবে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে, তাকে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, বিলাতি˃ বিলিতি

ঘ. অন্যোন্য : আগের ও পরের স্বরধ্বনি দুইয়ের প্রভাবে যদি দুইটি-ই পরিবর্তিত হয়ে যায়, তাকে অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন, মোজা˃ মুজো

ঙ. চলিত বাংলায় স্বরসঙ্গতি : গিলা˃ গেলা, মিলামিশা˃ মেলামেশা। মিঠা˃ মিঠে, ইচ্ছা˃ ইচ্ছে। মুড়া˃ মুড়ো, চুলা˃ চুলো। উড়ুনি˃ উড়নি, এখুনি˃ এখনি।

৭. সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ : শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলে। যেমন, ‘বসতি’ (ব+অ+স+অ+ত+ই)-র মাঝের ‘অ’ স্বরধ্বনি লোপ পেয়ে হয়েছে ‘বস্তি’ (ব+অ+স+ত+ই)। স্বরলোপ ৩ প্রকার-

ক. আদিস্বরলোপ : শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন, অলাবু˃ লাবু˃ লাউ, এড়ন্ড˃ (‘এ’ লোপ পেয়ে) রেড়ী, উদ্ধার˃ উধার˃ ধার।

খ. মধ্যস্বরলোপ : শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বরাগম বলে। যেমন, অগুরু˃ অগ্রু, সুবর্ণ˃ স্বর্ণ

গ. অন্ত্যস্বরালোপ : শব্দের শেষের স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বরাগম বলে। যেমন, আশা˃ আশ, আজি˃ আজ, চারি˃ চার, সন্ধ্যা˃ সঞ্ঝ্যা˃ সাঁঝ
(স্বরলোপ স্বরাগম-এর বিপরীত প্রক্রিয়া।)

৮. ধ্বনি বিপর্যয় : শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি অদলবদল হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন, বাক্স˃ বাস্ক, রিক্সা˃ রিস্কা, পিশাচ˃ পিচাশ, লাফ˃ ফাল

৯. সমীভবন : (স্বরসঙ্গতির মতো, কিন্তু ব্যঞ্জন ধ্বনির পরিবর্তন হয়) দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে সমতা লাভ করলে তাকে সমীভবন বলে। যেমন, ‘জন্ম’ (জ+অ+ন+ম+অ)-এর ‘ন’, ‘ম’-র প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে হয়েছে ‘জম্ম’। সমীভবন মূলত ৩ প্রকার-

ক. প্রগত সমীভবন : আগের ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন। যেমন, চক্র˃ চক্ক, পক্ব˃ পক্ক, পদ্ম˃ পদ্দ, লগ্ন˃ লগ্গ

খ. পরাগত সমীভবন : পরের ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে আগের ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন। যেমন, তৎ+জন্য˃ তজ্জন্য, তৎ+হিত˃ তদ্ধিত, উৎ+মুখ˃ উন্মুখ

গ. অন্যোন্য সমীভবন : পাশাপাশি দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি দুইয়ের প্রভাবে দু’টিই পরিবর্তিত হলে তাকে অন্যোন্য সমীভবন বলে। যেমন, সত্য (সংস্কৃত)˃ সচ্চ (প্রাকৃত), বিদ্যা (সংস্কৃত)˃ বিজ্জা (প্রাকৃত)

১০. বিষমীভবন : পাশাপাশি একই ব্যঞ্জনধ্বনি দু’বার থাকলে তাদের একটি পরিবর্তিত হলে তাকে বিষমীভবন বলে। যেমন, শরীর˃ শরীল, লাল˃ নাল

১১. দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা : শব্দের কোন ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হলে, অর্থাৎ দুইবার উচ্চারিত হলে তাকে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা বলে। মূলত জোর দেয়ার জন্য দ্বিত্ব ব্যঞ্জন হয়। যেমন, পাকা˃ পাক্কা, সকাল˃ সক্কাল

১২. ব্যঞ্জন বিকৃতি : কোন ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে অন্য কোন ব্যঞ্জনধ্বনি হলে তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলে। যেমন, কবাট˃ কপাট, ধোবা˃ ধোপা, ধাইমা˃ দাইমা

১৩. ব্যঞ্জনচ্যুতি : পাশাপাশি দুটি একই উচ্চারণের ব্যঞ্জন থাকলে তার একটি লোপ পেলে তাকে বলে ব্যঞ্জনচ্যুতি। যেমন, বউদিদি˃ বউদি, বড় দাদা˃ বড়দা,

১৪. অন্তর্হতি : কোন ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি। যেমন, ফাল্গুন˃ ফাগুন (‘ল’ লোপ), ফলাহার˃ ফলার, আলাহিদা˃ আলাদা

১৫. অভিশ্রুতি : যদি অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়, এবং পরিবর্তিত স্বরধ্বনি তার আগের স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলে যায়, এবং সেই মিলিত স্বরধ্বনির প্রভাবে তার পরের স্বরধ্বনিও পরিবর্তিত হয়, তবে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন, ‘করিয়া’ (ক+অ+র+ই+য়+আ) থেকে অপিনিহিতির মাধ্যমে (র+ই-এর আগে আরেকটা অতিরিক্ত ‘ই’ যোগ হয়ে) ‘কইরিয়া’ হলো। অর্থাৎ অন্য কোন প্রক্রিয়ায় ‘ই’ স্বরধ্বনিটির পরিবর্তন হলো। আবার ‘কইরিয়া’-এর র+ই-এর ‘ই’ তার আগের ‘ই’-র সঙ্গে মিলে গেলে হলো ‘কইরয়া’ বা ‘কইরা’। এবার ‘কইরা’-র ‘ই’ ও ‘আ’ পরিবর্তিত হয়ে হলো ‘করে’।

এটিই অভিশ্রুতি। এরকম, শুনিয়া˃ শুইনিয়া˃ শুইনা˃ শুনে, বলিয়া˃ বইলিয়া˃ বইলা˃ বলে, হাটুয়া˃ হাউটুয়া˃ হাউটা˃ হেটো, মাছুয়া˃ মাউছুয়া˃ মাউছা˃ মেছো

১৬. র-কার লোপ : (আধুনিক চলিত বাংলায় প্রচলিত) শব্দের ‘র’ ধ্বনি বা ‘র-কার’ লোপ পেয়ে পরবর্তী ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হলে তাকে র-কার লোপ বলে। যেমন, তর্ক˃ তক্ক, করতে˃ কত্তে, মারল˃ মালল, করলাম˃ কল্লাম

১৭. হ-কার লোপ : (আধুনিক চলিত বাংলায় প্রচলিত) অনেক সময় দুইটি স্বরধ্বনির মধ্যবর্তী ‘হ’ ধ্বনি বা ‘হ-কার’ লোপ পায়। একে হ-কার লোপ বলে। যেমন, ‘গাহিল’ (গ+আ+হ+ই+ল+অ)-এর ‘আ’ ও ‘ই’ স্বরধ্বনি দুটির মধ্যবর্তী ‘হ’ লোপ পেয়ে হয়েছে ‘গাইল’। এরকম, পুরোহিত˃ পুরুত, চাহে˃ চায়, সাধু˃ সাহু˃ সাউ, আল্লাহ˃ আল্লা, শাহ˃ শা

১৮. অ-শ্রুতি ও ব-শ্রুতি : পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি উচ্চারিত হলে, এবং সেই দুটি স্বরধ্বনি মিলে কোন যৌগিক স্বর তৈরি না করলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য মাঝে একটি অন্তঃস্থ ‘য়’ বা অন্তঃস্ত ‘ব’ উচ্চারিত হয়। একে অ-শ্রুতি ও ব-শ্রুতি বলে।

যেমন, ‘যা+আ’, এখানে পরপর দুটি ‘আ’ স্বরধ্বনি আছে। দুটি যুক্ত হয়ে কোন যৌগিক স্বর তৈরি করছে না। তাই এখানে মাঝখানে একটি অন্তঃস্থ ‘য়’ উচ্চারিত হয়ে হবে ‘যাওয়া’। এরকম, নাওয়া, খাওয়া, দেওয়া,

চাকরির পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে ভালো করার উপায়

চাকরির পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে ভালোযেকোন চাকরি পরিক্ষার পদ্ধতি –

পরীক্ষা পদ্ধতি ও মানবন্টন: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়। প্রথমে নেওয়া হয় এমসিকিউ বা বহুনির্বাচনী পরীক্ষা।

এমসিকিউ পরীক্ষায় ৮০ নম্বরের প্রশ্ন আসে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয় থেকে ২০টি করে মোট ৮০টি প্রশ্ন থাকে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর যোগ হবে। প্রত্যেক ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ সময় ৮০ মিনিট বা ১ ঘন্টা ২০ মিনিট। গড়ে প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরের জন্য ১ মিনিট সময় পাওয়া যাবে।

এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাকা হয় মৌখিক পরীক্ষায়। এ ধাপে থাকে ২০ নম্বর। ভাইভায় টিকলে পরবর্তী যাচাই বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার (লিখিত) মানবণ্টন আগের মতো থাকলেও এবার কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। প্রশ্নপত্রের সেট নির্ধারণ করা হবে প্রার্থীর রোল নম্বর অনুসারে ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে। যাতে পাশাপাশি বসা প্রার্থীদের সেট না মিলে যায়।

প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাতে গণিতের সম্ভব্য অংক সমুহ-

পরীক্ষার আগের রাতে জেলা প্রশাসকের কাছে অনলাইনে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে। সহায়ক বই: নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবই আয়ত্ত্বে থাকতে হবে। বিশেষ করে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির বাংলা, গণিত, ইংরেজি বোর্ড বইগুলো সংগ্রহে রাখতে পারেন।

বিগত বছরের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখলে প্রশ্নপত্র সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুনে জেলাওয়ারী প্রাথমিক শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নগুলো সংগ্রহে থাকলে প্রস্তুতিতে বেশ কাজে দেবে। বাজারে বিভিন্ন প্রকাশনীর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড বই পাওয়া যায়। ভালো প্রস্তুতিতে এগুলোও সহায়ক হবে।

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে ভালো করার উপায়-

চাকরি পরিক্ষার জন্য ইংরেজি প্রস্তুতিঃ

সিলেবাস:

ইংরেজিঃ গ্রামারে Right forms of verb, Tense, Preposition, Parts of Speech, Voice, Narration, Spelling, Sentence Correction- এর নিয়ম জানতে হবে এবং গ্রামার বইয়ের উদাহরণ থেকে চর্চা করতে হবে। মুখস্থ করতে হবে Phrase and Idioms, Synonym, Antonym. ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ আসতে পারে। তাই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করলে ভালো করা সম্ভব।

বাংলা ও ইংলিশের জন্য যেকোন সিরিজের বই (নতুন সংস্করণ) থেকে শুধু মাত্র চ্যাপ্টারের শেষে যুক্ত বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলি সলভ করবেন বিস্তারিত পড়ার সময় নাই। তাছাড়া প্রশ্ন ডিরেক্ট কমন পড়বে অযথা প্রেসার নেবার দরকার কি।

বাংলা প্রস্তুতিঃ

বাংলা: সন্ধি(২), বিপরীত শব্দ (২/৩), সমার্থক শব্দ(২), শুদ্ধ বানান (২), এককথায় প্রকাশ (২), সমাস (২), বাগধারা (২), কারক-বিভক্তি, ছদ্মনাম/উপাধি, দ্বিরুক্ত শব্দ, ধ্বনি, বর্ণ, বাক্য (সরল, জটিল, যৌগিক) ও পদ নির্ণয়।

প্রচীন যুগ,মধ্যযুগ থেকে ১ অথবা ২ মার্কস আসতে পারে তবে মধ্যযুগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ,আধুনিক যুগের সাহিত্য কর্মের মধ্যে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস/রচনাসমগ্র(১/২ মার্কস)এবং পরিচিত কবি সাহিত্যিকের রচনা বা জন্ম মৃত্যু নিয়ে ১/২ মার্কস আসতে পারে যেগুলো পারার মত।

ইংলিশ: যেকোন সিরিজের বই থেকে পড়লেই চলবে তবে English For Competitive Exams বইটিতে বিগত সালের প্রশ্ন বেশি থাকায় এটাই বেস্ট বই। Right form of verb,Fill in the blank with appropriate word/preposition(2), Voice Change (1/2),Narration(1), Sentence Correction(2),Spelling (2), Parts of speech Identification (2),Synonym+antonym(3/4), Idioms & Phrase.

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে ভালো করার উপায়-

গণিত: দশমিকের (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ), শতকরা, লাভ-ক্ষতি, মুনাফা, ল.সা.গু, গ.সা.গু, ঐকিক নিয়ম (কাজ, খাদ্য, সৈন্য), অনুপাত:সমানুপাত, সংখ্যা পদ্ধতি, বীজগাণিতিক মান নির্ণয়, উৎপাদক নির্ণয়, গড়, মধ্যক, প্রচুরক নির্ণয়, ত্রিভুজক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র, আয়তক্ষেত্রের বেসিক সূত্রের অংকসমূহ, সরলরেখা, ধারা, গাছের উচ্চতা/মিনারের উচ্চতা/মইয়ের দৈর্ঘ্য/সূর্যের উন্নতি কোন ইত্যাদি বিষয়ক অংকসমূহ।

সাধারণ জ্ঞান, দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও কম্পিউটার: এই অংশে ভাল করার জন্য খুব বেশি পড়তে হবেনা। সাধারণ জ্ঞান অংশে ১৪/১৫ টার মত প্রশ্ন আসতে পারে তার ভিতর ১০-১২ টাই হবে সালের রিপিট প্রশ্ন।বাকী ২/৩ টা সাম্প্রতিক বিষায়াবলী দিতে পারে। তারপরও ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ,বাংলাদেশের জনপদ, নদ-নদী, বাংলাদেশের লোকজ ঐতিহ্য অন্তর্জাতিক সংগঠন, জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন, বিশ্বের বিভিন্ন শহরের নাম ইত্যাদি…

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে ভালো করার উপায়-

বিজ্ঞান থেকে দু’তিনটি কমন প্রশ্ন আসবে যেগুলো চোখের পলকে গোল্লা ভরাট করা যাবে মানে হরহামেশা রিপিটেড সাল। কম্পিউটার থেকে একটি বা দু’টি প্রশ্ন আসবে একেবারে বেসিক কম্পিউটার থেকে। নিজের মগজের সফটওয়্যার থেকে কম্পিউটারের বৃত্ত ভরাট করবেন।

মৌখিক পরীক্ষাঃ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরই শুধু মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হবে। মৌখিক পরীক্ষায় থাকবে ২০ নম্বর। একাডেমিক ফলাফল বা শিক্ষাগত যোগ্যতার ওপর থাকবে ৫ নম্বর। এক্সট্রা কারিকুলাম (নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি) এর ওপর বরাদ্দ থাকবে ৫ নম্বর।বাকি ১০ নম্বর থাকবে সাধারণ জ্ঞানের ওপর। মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের জন্য প্রার্থীর নিজ জেলার থানা বা উপজেলার আয়তন, জনসংখ্যা, সংস্কৃতি, জেলার ইতিহাস, রাজনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।

প্রাথমিকে পরীক্ষার জন্য ৩০দিন প্রস্তুতির জন্য অনেক সময়। শুধুমাত্র আপনি মুখস্ত করে প্রিলি পাস করে আসবেন এটা সবার জন্য হয় না। বুদ্ধি খাটান; তবে মনে রাখবেন প্রাথমিকের প্রিলিতে আপনি ভুল দাগালে কিন্তু মার্ক কাঁটা যাবে, সুতরাং ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে হবে। আরেকটা কথা, এই মার্ক যেহেতু আপনার মূল মার্কের সাথে যোগ হবে না, সুতরাং এখানে উতরে যাবার জন্য আপনাকে দুনিয়ার সব কিছুই পারতে/ জানতে হবে না।

ইংরেজিতে ভালো নম্বর তুলতে যেসব মাথায় রাখতে হবে

লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এতে ভালো না করলে গড় নম্বর অনেক কমে যাবে। এখানে পার্ট এ এবং পার্ট বি মিলিয়ে মোট ২০০ নম্বর বরাদ্দ আছে। রিডিং কম্প্রিহেনশন থেকে ১০০ নম্বর; যা সাধারণ প্রশ্ন ৩০, ব্যাকরণ ৩০, পত্রিকা সম্পাদকের নিকট চিঠি ২০ এবং সারাংশ ২০ নম্বর যোগ করলে পাওয়া যায়। আর পার্ট বি–তে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ২৫, ইংরেজি থেকে বাংলা ২৫ এবং রচনায় ৫০ নম্বরসহ মোট ১০০ নম্বর।

সর্বমোট ২০০ নম্বর। সময় পাওয়া যাবে ৪ ঘণ্টা। আর ইংরেজিতে রাতারাতি ভালো করা যায় না। আবার অনেক টপিক আছে, যা সরাসরি পরীক্ষায় আসবে না। অর্থাৎ কমন পড়বে না। অনেকের ধারণা, কমন যেহেতু পড়বে না, তাহলে পড়ে লাভ কী! লাভ হলো, আপনার চর্চা বহাল থাকলে সহজে পরীক্ষার হলে উত্তর দিতে পারবেন। একটা কথা মনে রাখবেন, কতগুলো অনুশীলন করলেন, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা বুঝে বুঝে অনুশীলন করলেন। তাই বুঝে বুঝে অনুশীলন করা ছাড়া ভালো কিছু হবে না।

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজিতে-

যা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে এক সম্ভাবনাময় সুযোগ। আমাদের লক্ষ্য বেকার লোকদের সঠিক কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা করা। ক্যারিয়ার গঠনে পাশে থাকা। আপনি সরকারি চাকরি, চাকরির বিজ্ঞপ্তি, সরকারী চাকরি বিডি, সপ্তাহিক চাকরির খবর, সকল সরকারি চাকরি, চাকরির বিজ্ঞপ্তি বিডি, দৈনিক, সাপ্তাহিক চাকরির খবর, প্রতিদিনের সরকারি চাকরির খবর, নতুন চাকরীর বিজ্ঞপ্তি, বিডি চাকরি বিজ্ঞপ্তি, বিডি সরকারী চাকরী, চাকরির পাত্রিকা, সরকারী চাকরীর বিজ্ঞপ্তি, আজকের চাকরির খবর, সরকারি চাকরি, বেসরকারি চাকরি, সংস্থার চাকরি, আজকের চাকরির খবর ২০২২, এনজিও চাকরি, বেসরকারি চাকরি ব্যাংক জবস আন্তর্জাতিক চাকরির সংবাদপত্রের চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং জবস, শিক্ষণীয় গল্প, রুপকথার গল্পসহ।

প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্ব

চাকরির প্রস্তুতি-র আলোচনায় বিসিএসের কথা সবার প্রথমে আসে । বিসিএসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ৩৫ নম্বর এবং ২০০ নম্বর লিখিত পরীক্ষায় বরাদ্দ থাকে। ইংরেজিতে ২৫-৩০ নম্বর ব্যাংকের প্রিলিমিনারিতে থাকে এবং ৭০-৯০ নম্বর লিখিত পরীক্ষায় বরাদ্দ । অন্যান্য চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতেও প্রায় ১৫-২০টি ইংরেজি প্রশ্ন থাকে। তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন চাকরির পরীক্ষায় আপনার জন্য ইংরেজি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

চাকরির প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ইংরেজি প্রস্তুতি ৩টি ভাগে বিভক্ত করা যায়ঃ
১. গ্রামার
২. লিটারেচার
৩. ভোকাবুলারি।

তবে ইংরেজি সাহিত্য থেকে ব্যাংকের প্রিলিমিনারি ও পরীক্ষায় খুব বেশি প্রশ্ন আসে না। গ্রামার আর ভোকাবুলারি থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয় । গ্রামার অংশের প্রস্তুতি ইংরেজি গ্রামার অংশ থেকে বিসিএস পরীক্ষায় ২০ নম্বর থাকে।

এছাড়া অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই অংশ থেকেই বেশির ভাগ প্রশ্ন হয়ে থাকে। বিগত বছরগুলোর প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ২০টি প্রশ্নের বেশির ভাগই গুরুত্বপূর্ণ কমন টপিক থেকে দেয়া হয়।

Sentence Correction হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । মূলত এটিআলাদা কোনো টপিক নয়, বরং গ্রামার আইটেমের অনেকটাই সমন্বিত টপিক। এগুলোর মধ্যে Subject-Verb Agreement, Illogical Comparisons, Parallelism, Dangling/Misplaced Modifiers, Inversions-সহ অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত।

তবে উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে যেভাবেই Sentence Correction আসুক না কেন, আপনি উত্তর দিতে পারবেন।আপনাকে মনে রাখতে হবে যে বেশির ভাগ প্রশ্ন কিন্তু এগুলো থেকেই আসবে। কখনোই গ্রামার মুখস্থ করবেন না।

এখানে প্রতিটি বিষয়বস্তু বুঝে অনুশীলন করতে হবে। যত বেশি চর্চা করবেন, তত বেশি অগ্রসর হবেন; আর নিজের ভুলগুলো নিজেই ধরতে পারবেন। নমুনা প্রশ্ন দেখে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর করতে পারবেন।

যে বই থেকেই পড়েন না কেন, পড়ার সময় আলাদা একটি নোট খাতা রাখবেন। গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো দু-একটি উদাহরণসহ লিখে রাখতে পারেন অথবা পড়ার সময় আপনি বইয়ে হাইলাইটার দিয়ে দাগিয়ে রাখতে পারেন, যেন পরীক্ষার পূর্বে অল্প সময়ে দ্রুত রিভিশন দিতে পারেন।

Preposition, Idioms and Phrases, Article ও Group Verb—এই টপিকগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে প্রশ্ন আসবেই। এ ছাড়া আরো কিছু টপিক যেমন—Parts of Speech, Identification of Clause, Conditional Sentence, Embedded Question, Degree of Comparisons, Voice, Narration,—এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টপিক।

ইংরেজি গ্রামারে অনেক টপিক থাকলেও আশা করা যায় পরীক্ষায় সর্বাধিক কমন পাবেন এই টপিকগুলো পড়লে। ► এসব টপিকের জন্য TOEFL Cliff’s & Barron’s, Common Mistakes in English by T. J. Fitikides-এর পাশাপাশি বাজারের ভালো মানের দু-একটি নিয়োগ প্রস্তুতির বই অনুশীলন করতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর মধ্যে যেটি যে বইয়ে তুলনামূলক সহজবোধ্য মনে হয়, সেটি সেখান থেকে পড়লেই ভালো।

যেভাবে ভোকাবুলারি প্রস্তুতি নিবেন

ভোকাবুলারি বাদ দিয়ে আপনি ইংরেজিতে ভালো করার কথা চিন্তাই করতে পারবেন না। বেশির ভাগ চাকরির নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভোকাবুলারিভিত্তিক প্রশ্ন বেশি আসে। তাই এ বিষয়ে কোনোভাবেই হেলাফেলা করা যাবে না। Synonym, Antonym, Analogy, Correct Spelling ইত্যাদি টপিকস ভোকাবুলারি অংশের মধ্যেই পড়ে।

তাছাড়া লিখিত পরীক্ষায় Reading Comprehension, থেকে শুরু করে Free hand writing—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভোকাবুলারিতে দক্ষতা একান্ত প্রয়োজন। বাজারে ভোকাবুলারির জন্য প্রচুর বই রয়েছে। তাই একটু কৌশলী হলে দ্রুত ভোকাবুলারি আয়ত্ত করা যায়

১। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ুন,গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর তালিকা করুন। অজানা শব্দগুলোর অর্থ যখন-তখন জানতে স্মার্টফোনে ‘ইংরেজি থেকে বাংলা’ ডিকশনারী অ্যাপ ইনস্টল করে রাখুন। তাহলে পত্রিকা পড়ার সময় অজানা-দুর্বোধ্য শব্দগুলোর অর্থ সহজেই দেখে নিতে পারবেন।মন চাইলে অবসর সময়েও বসে বসে পড়তে পারবেন।

২। GRE Vocabulary Builder-Magoosh GRE-অ্যাপটি আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিলে এখানে আপনি কুইজ দিতে পারবেন। বিভিন্ন পর্যায়ে আপনার অবস্থান যাচাই করতে পারবেন।

৩। নেমনিক বা মনে রাখার কৌশল ব্যবহার করে শব্দ শেখা যায়।mnemonicdictionary.com এই ধরনের ওয়েবসাইটে আপনি মনে রাখার মতো কৌশল পাবেন। এ ছাড়া বাজারে নেমনিকসহ এ জাতীয় বিভিন্ন বই পাওয়া যায়, সেগুলোও দেখতে পারেন।

৪। শব্দের Root, Suffix, Prefix এগুলো বুঝে বুঝে পড়ুন। তাহলে অল্প পড়েই এ সম্পর্কিত বহু শব্দ শেখা হয়ে যাবে।

৫। এ ছাড়া বাজারে চাকরির পরীক্ষার বিভিন্ন বই থেকেও ভোকাবুলারি পড়তে পারেন। মনে রাখবেন, ভোকাবুলারি পড়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেগুলো রিভাইস ও প্রয়োগ করা।

প্রতিনিয়ত চর্চায় না থাকলে আপনি কখনোই ভোকাবুলারিতে ভালো করতে পারবেন না। তাই নিয়মিত ভোকাবুলারি অনুশীলন করুন। তাহলে দেখবেন, আর মুখস্থ করতে হবে না, এমনিতেই অনেক শব্দ আয়ত্তে চলে এসেছে। যেভাবে ইংরেজি লিটারেচার অংশের প্রস্তুতি নিবেন বিসিএস পরীক্ষায় ইংরেজি লিটারেচারে ১৫ মার্কস থাকে। এ ছাড়া সরকারি কর্ম কমিশনসহ অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় দু-চারটি লিটারেচারের প্রশ্ন আসতে দেখা যায়।

বিসিএসে এই অংশটা প্রিলিমিনারিতে জাদুর মতো সাহায্য করতে পারে। আপনি এত অল্প পড়ে আর কোনো বিষয়ে এই টপিকের মতো কমন পাবেন না।

১। বিসিএসসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসা আগের বছরের প্রশ্নগুলো প্রস্তুতির শুরুতেই চর্চা করুন।.

২।কোন সাহিত্যিক কোন যুগের এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে Elizabethan, Romantic, Victorian ও Modern যুগ।তাই ইংরেজি সাহিত্যের যুগ সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা রাখুন। পিরিয়ডের প্রধান প্রধান সাহিত্যিক ও সাহিত্যকর্মের নামগুলো ভালো করে পড়তে হবে।

৩।William Shakespeare, William Wordsworth, John Keats, Charles Dickens, GB Shaw এর মত বিখ্যাত সাহিত্যিকের বিখ্যাত গ্রন্থ এবং উক্তিগুলো ভালো করে পড়ুন।

৪।Google এ সার্চ দিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মূলভাবটি পড়ে নিতে পারেন। এতে সহজেই মনে থাকবে!

৫। Literary terms ও সাহিত্যকর্মের ধরনগুলো গুরুত্বসহকারে পড়ুন। ইংরেজি সাহিত্য অনেক বিশদ একটি বিষয় তাই অনেকের এই বিষয়ে যথেষ্ট ধারণা না থাকাটা স্বাভাবিক। প্রথমে কঠিন মনে হলেও কয়েকবার পড়ে দেখুন, ধীরে ধীরে এটা হয়তো আপনার কাছে ভালো লাগতে শুরু করবে। বাজারে ইংরেজি সাহিত্যের ওপর বিক্রি হওয়া বইগুলো ঘেঁটে তুলনামূলক সহজ একটি বই সংগ্রহ করতে পারেন।

চাকরির পরিক্ষায় ভালো করার কিছু পরামর্শ:

ক) ১০ম থেকে ৪৪ তম বিসিএসের শুধু ব্যাকরণ অংশটি পড়ে নেবেন। বাকিগুলো না পড়লেও চলবে।

খ) কম্প্রিহেনশন যত পারেন, পড়ুন। পড়ার সময় চারটি বিষয় মাথায় রাখবেন।

১. অজানা শব্দের অর্থ অবশ্যই আয়ত্ত করবেন।
২. বাক্যের অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন।
৩. পুরো অনুচ্ছেদের মূলকথা বের করুন।
৪. সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন।

বাকি প্রশ্নগুলো অনুশীলন না করলেও চলবে। প্রয়োজনে অল্প কম্প্রিহেনশন চর্চা করবেন। কিন্তু ভাসা ভাসা করে দ্রুত শেষ করতে যাবেন না। এতে সব বৃথা যাবে। আরেকটা কথা, ইংরেজি পত্রিকার সমসাময়িক তাৎপর্যপূর্ণ কলাম বা লেখা পড়তে পারেন। তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। এটা পরোক্ষভাবে আপনাকে রিডিং কম্প্রিহেনশনে সাহায্য করবে। ৩৫তম বিসিএসে পত্রিকার একটি খবর থেকেই কম্প্রিহেনশন এসেছিল।

গ) ব্যাকরণ অংশে নতুন কিছু নেই। যা আপনি প্রিলিতে পড়েছেন, তা-ই। একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন। Word Formation, Parts of speech, Punctuation, Sentence Making, Meaning of word খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঘ) প্যাসেজ থেকেই সামারি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভুলেও কোনো হুবহু বাক্য গ্রহণ করতে যাবেন না। নিজের মতো করে লিখবেন। বাসায় অনুশীলন করুন, ভুল কমে আসবে। আর এটা এত পড়ার কিছু নেই। যদি কেউ একান্ত না পারেন, তবে শব্দ পরিবর্তন করে সমার্থক শব্দ নেবেন, বড় বাক্য ছোট করে নেবেন।

ঙ) সম্পাদকের নিকট চিঠি পড়ার কিছু নেই। শুধু নিয়মকানুন জেনে রাখুন। তাতেই হবে। আর দুই পৃষ্ঠার বেশি অবশ্যই লিখবেন না। এখানে যেন কাটাকাটি, বানান ভুল বা অসুন্দর কিছু না হয়!

চ) ফ্রি–হ্যান্ড রাইটিং ইংরেজিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন কোন বিষয় আয়ত্তে থাকলে আপনি ইংরেজি লেখায় ভালো করবেন, তা বলা হলো:

১. শব্দের অর্থ শিখুন, যত পারা যায়। অনেকেই বলেন, মনে থাকে না। কিছু ভুলে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। সে জন্য পড়া থামাবেন না। যা গিয়ে, যা থাকে তা-ই লাভ। শব্দের অর্থ না জানলে আপনি লিখতে পারবেন না। তাই ফ্রি–হ্যান্ড রাইটিংয়ে ভালো করতে হলে আপনার শব্দভান্ডার মজবুত থাকতে হবে। আর এটি কিন্তু চলমান প্রক্রিয়া। শব্দ শেখার মধ্যেই থাকবেন। হোক অল্প।

২. মানসম্মত রাইটিংয়ের জন্য টেকনিক্যাল কিছু শব্দের অর্থ বা শব্দগুচ্ছ শিখবেন। যেমন ‘ধনী–গরিবনির্বিশেষে’—এর ইংরেজি হবে Irrespective of rich and poor. আপনি যদি অন্যভাবে বলেন, তাহলে মানসম্মত লেখা হবে না। আপনার লেখার মান ভালো হলে, নম্বর ভালো আসবে। এটা তো স্বাভাবিক।

৩. ইংরেজি বাক্য লেখার সময় আপনাকে Preposition ব্যবহার করতেই হয়। এতে অনেকেই ভুল করেন। তাই শুদ্ধ বাক্য লিখতে হলে এ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ জন্য Prepositionগুলোর বাংলা অর্থ ও সাধারণ ব্যবহার জেনে নেবেন। অবশ্যই বুঝে বুঝে পড়বেন। আর কিছু Appropriate Preposition পড়ে নেবেন। তাহল ধীরে ধীরে ভুল কমে যাবে।

৪. Tense সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এটা ছাড়া কিচ্ছু করার নেই। ১২টি টেন্সের বাংলা সংজ্ঞা, চেনার উপায়, গঠনপ্রণালিসহ ভালো করে পড়বেন যেন বাক্য দেখলেই আপনি বোঝেন কোন Tense অনুযায়ী লিখতে হবে। ধরুন, আপনি বলতে চাচ্ছেন, ‘কাল স্কুলে যাব’, এটি যদি এভাবে লেখেন, ‘I was go school’, তাহলে কী হলো? যিনি খাতা দেখবেন, তিনি অজ্ঞান হয়ে যাবেন। আপনার কাউকে অজ্ঞান করার অধিকার নেই। তাই ভালো করে Tense পড়ুন।

৫. প্রচুর অনুশীলন করুন। বুঝে বুঝে করুন। ফ্রি–হ্যান্ড রাইটিংয়ের জন্য অনুশীলন ব্যাপক কাজে দেয়। সম্ভব হলে যে ফ্রি–হ্যান্ডে ভালো, তাঁর সাহায্য নিতে পারেন। লেখার পর তাঁকে দেখাতে পারেন। তিনি ভুলগুলো চিহ্নিত করে দিলে বুঝে নিন। লজ্জার কিছু নেই।

৬. ইংরেজি পত্রিকা থেকে একটু সাহায্য নেবেন। প্রতিদিন দরকার নেই। কলামগুলো পড়ার সময় খেয়াল রাখবেন, কীভাবে ওরা বাক্য তৈরি করল। এটা মাঝেমধ্যে নিজেও অনুসরণ করবেন। আর নতুন শব্দ পেলে মুখস্থ রাখবেন।

৭. যদি সম্ভব হয়, প্রতিদিন একটা টপিক ধরে এক পৃষ্ঠা করে লিখবেন। চর্চা না করলে তো হবে না। প্রথম দিকে সহজ টপিক নিয়ে লিখবেন। আস্তে আস্তে কঠিন নেবেন।

৮. তথ্যভিত্তিক ইংরেজি লেখা হলে শুধু ইংরেজিই লিখবেন না, সঙ্গে তথ্য দেবেন। এতে লেখার মান বাড়বে। আর রিডার সন্তুষ্ট হলে আপনার লাভ।

৯. Tense ও Preposition সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণার জন্য চৌধুরী অ্যান্ড হোসাইনের এসএসসি ইংলিশ সেকেন্ড পেপার গাইডটা পড়তে পারেন। ইংরেজি পত্রিকা The Daily Star নিন।

ছ) অনুবাদের জন্য ফ্রি–হ্যান্ডের নিয়মগুলো বেশ কাজে দেবে। চর্চা করতে থাকুন। আর অনুবাদ শতভাগ মিলতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বড় বাক্য হলে ভেঙে একাধিক বাক্যও হতে পারে। বিষয়বস্তুটা বোঝাতে পারলেই নম্বর আসবে। লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে

জ) রচনা কোনটা আসবে বলা কঠিন। তবে ১০টি সাধারণ বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যাবেন যা আপনার সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলা রচনায়ও কাজে লাগবে। এসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকুন। নোট করুন।
১. নারী (নির্যাতন, উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, মুক্তি)
২. শিক্ষা (সমস্যা, নীতি, সম্ভাবনা, হার)
৩. গণতন্ত্র (সমস্যা, সম্ভাবনা, বর্তমান চিত্র)
৪. দুর্নীতি চিত্র (টিআইবি, টিআই, বিভিন্ন খাতের অবস্থা)
৫. জ্বালানি পরিস্থিতি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, খনিজ তেল, উৎপাদন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা)
৬. শিল্প ( পোশাক, চামড়া, পর্যটন এবং এগুলোর সার্বিক দিক)
৭. দারিদ্র্য পরিস্থিতি (হার, কারণ, চিত্র, সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগ)
৮. আইসিটি চিত্র (মুঠোফোন, ইন্টারনেট, পরিকল্পনা, সুবিধা, অসুবিধা)
৯. পরিবেশ অবস্থা (ভূমিকম্প, জলবায়ু পরিবর্তন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ)
১০. সন্ত্রাসবাদ (ধর্মীয়, রাজনৈতিক, আইএস, বোকো হারাম, প্রেক্ষাপট—বিশ্ব ও বাংলাদেশ, গৃহীত পদক্ষেপ)।

ঝ) তিনটি রচনার মধ্যে যে রচনায় আপনি তথ্য বেশি দিতে পারবেন বা তথ্য বেশি দেওয়ার সুযোগ আছে, সেটা লেখার জন্য নির্বাচিত করবেন। তাত্ত্বিক বা আধ্যাত্মিক বিষয়ে লেখা খুব কঠিন। যেমন- Nature vs Nurture খুব কঠিন একটি রচনা। লিখতে বহুজনই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না।

ঞ) বাজার থেকে যেকোনো একটি লিখিত ইংরেজি গাইড সংগ্রহ করে নিন। অনুশীলন ও বিগত প্রশ্ন পড়তে কাজে লাগবে।

ট) রাইটিং সেকশনগুলোয় সম্ভব হলে Phrase and Idiom ব্যবহার করবেন। এতে লেখার একঘেয়েমি দূর হয়; পাঠক পড়ে আপনার দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাবে। তবে অপ্রাসঙ্গিক ব্যবহার যেন না হয়। অনেক কিছু তো হলো, আর দরকার নেই। এবার কাজে লেগে পড়ুন। আশা করি, আপনার ইংরেজির উন্নতি হবে। ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ সম্পর্কিত ১০০টি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

সাধারণ-জ্ঞান প্রশ্নযেকোন চাকরীর পরীক্ষা এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাতেও সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ন ১০০টি সাধারণ জ্ঞান, যা বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকদের জেনে রাখা উচিৎ। এই গুরুত্বপূর্ন তথ্য গুলো নিজের সংগ্রহে রেখে দিন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।  বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা এবং চাকরীর পরীক্ষায় বাংলাদেশের বাংলাদেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। আর তাই পরীক্ষায় ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞানের অংশ হিসেবে আমাদের এ ইতিহাসগুলো জানা দরকার।

১। সংসদে সাংবাদিকদের আসন কতটি ?
উত্তরঃ ৮০টি

২। ১৪৪ ধারা কি ?
উত্তরঃ মানুষ চলাচল এবং আচরণের কর্মকান্ডের নিষেধজ্ঞা

৩। তিতুমীর কে ছিলেন?
উত্তরঃ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম শহীদ বাঙ্গালী বীর

৪। উয়ারী বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ নরসিংদী

৫। দেশের ১১তম শিক্ষা বোর্ড কোথায় হতে যাচ্ছে ?
উত্তরঃ ময়মনসিংহ

৬। বাংলাদেশের সরকারি নাম ইংরেজিতে লিখুন?
উত্তরঃ The people’s Republic of Bangladesh

৭। গ্রীনিচ থেকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
উত্তরঃ ৯০ ডিগ্রি পুর্ব ডিকে।

৮। বাংলাদেশের কোন জেলায় মধুপুর ও ভাওয়াল গড় অবস্থিত?
উত্তরঃ টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর।

৯। বাংলাদেশের কোন জেলা সমতল থেকে সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত?
উত্তরঃ দিনাজপুর।

১০। ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?
উত্তরঃ চিলির নিকটে প্রশান্ত মহাসাগরে।

১১। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ কত?
উত্তরঃ ৭১১ কি.মি.

১২। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কি?
উত্তরঃ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি খাত(প্রস্থ ১৪ কি মি)

১৩। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নামসহ উচ্চতা কত?
উত্তরঃ তাজিংডং বা বিজয়, ১২৩১ মিটার বা ৪০৩৯ ফুট।

১৪। আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কত?
উত্তরঃ ৯৪তম (দক্ষিন এশিয়ার ৫ম)

১৫। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসিমা কত?
উত্তরঃ ১২ নটিক্যাল মাইল।

১৬। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তি জেলা কতটি?
উত্তরঃ ৩০টি

১৭। পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা কতটি?
উত্তরঃ ৩টি।

১৮। পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলার সাথে ভারতের সীমানা নেই?
উত্তরঃ বান্দরবান।

১৯। ঢাকার সাথে নদী পথে কোন জেলার সরাসরি যোগাযোগ নেই?
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি।

২০। বরিশাল বিভাগের জেলার সংখ্যা কত?
উত্তরঃ ৬টি।

২১। বাংলাদেশের সর্বপূর্বে স্থানের নাম কি?
উত্তরঃ আখাইন্ঠং

২২। বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় থানা কোনটি?
উত্তরঃ শ্যামনগর (সাতক্ষিরা)

২৩। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যাকর হয় কবে?
উত্তরঃ ১ আগষ্ট, ২০১৫ইং

২৪। ছিটমহল বেষ্ঠিত জেলা বলা হয় কোন জেলা কে?
উত্তরঃ লালমনিরহাট

২৫। কোন পাহাড় হিন্দুদের তীর্থস্থানের জন্য বিখ্যাত?
উত্তরঃ চন্দ্রনাথ পাহাড়(সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম)

২৬। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপটির নাম কী এবং বর্তমানে মালিকানা কোন দেশের?
উত্তরঃ দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ, ভারত

২৭। নিঝুম দ্বীপটি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
উত্তরঃ মেঘনা (নোয়াখালী)

২৮। দ্বীপ জেলা বলা হয় কোন জেলাকে?
উত্তরঃ ভোলা।

২৯। ভবদহ বিল কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ যশোর

৩০। ক্রিসেন্ট লেক কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ঢাকা(জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে)

৩১। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে হাওড়ের সংখ্যা বেশী?
উত্তরঃ সিলেট

৩২। বাংলাদেশের সাগর কণ্যা বলা হয় কোন স্থানকে?
উত্তরঃ কুয়াকাটা, পটুয়াখালী

৩৩। বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক পার্ক নির্মান করা হচ্ছে কোথায়?
উত্তরঃ কালিয়াকৈর, গাজীপুর

৩৪। বাংলাদেশে একমাত্র শীতলপানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ হিমছড়ি, কক্সবাজার

৩৫। বিল ডাকাতিয়া কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ খুলনা।

৩৬। ‘দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ সুন্দরবনের দক্ষিনে।

৩৭। বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট বিজয়ীর নাম ও তারিখ লিখুন?
উত্তরঃ নিশাত মজুমদার, ১ মে, ২০১২

৩৮। SPARSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
উত্তরঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

৩৯। বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগৃহে কেন্দ্রে কোথায় স্থাপিত হয়?
উত্তরঃ বেতবুনিয়া রাঙ্গামাটি।

৪০। বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান জন্মে?
উত্তরঃ ময়নসিংহ

৪১। রাবার বাগানের জন্য বিখ্যাত স্থান কোনটি?
উত্তরঃ রামু, কক্সবাজার।

৪২। সম্প্রতি বাংলাদেশের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতের নাম কি?
উত্তরঃ সুপার রাইস।

৪৩। নদী ছাড়া যমুনা কী?
উত্তরঃ উন্নত জাতের মরিচের নাম।

৪৪। মাছ গবেষনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ চাদপুর।

৪৫। বাংলাদেশের জাতীয় ও একক বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
উত্তরঃ সুন্দরবন।

৪৬। সুন্দরবনকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের’ অংশ হিসেবে কোন সংস্থা কত তারিখ ঘোষণা করে?
উত্তরঃ ইউনেস্কো, ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ (৭৯৮তম)

৪৭। সুনেত্র গ্যাস ক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা

৪৮। ‘Black Gold’ কি?
উত্তরঃ তেজস্ক্রিয় বালু(কক্সবাজারে পাওয়া যায়)

৪৯। তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া

৫০। বাংলাদেশের কোথায় কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে?
উত্তরঃ বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, দিনাজপুর

৫১। বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানী তেল শিধানাগারের নাম কি?
উত্তরঃ ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিঃ, চট্টগ্রাম

৫২। দেশের সবচেয়ে বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান?
উত্তরঃ ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কষ্টিয়া

৫৩। ভারত – বাংলাদেশের পানি চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তরঃ ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬

৫৪। বাংলাদেশের নাব্যতম ওঁ প্রশস্ততম নদীর নাম?
উত্তরঃ মেঘনা।

৫৫। বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
উত্তরঃ হাড়িয়াভাঙ্গা।

৫৬। পদ্মার অপর নাম?
উত্তরঃ কীর্তিনাশা

৫৭। পদ্মা ও যমুনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
উত্তরঃ গোয়ালন্দ

৫৮। পদ্মা নদীর উৎপত্তি স্থল কোথায়?
উত্তরঃ হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিম্বাহ থেকে

৫৯। মংলা সমুদ্রবন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
উত্তরঃ পশুর।

৬০। বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের নাম কি?
উত্তরঃ তিস্তা সেচ প্রকল্প

৬১। জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান?
উত্তরঃ ৮ম।

৬২। চাকমা উপজাতির বসবাস বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বেশি?
উত্তরঃ পার্বত্য চট্টগ্রামে

৬৩। বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রামের নাম কি?
উত্তরঃ কৃষ্টপুর, কচুবাড়ি, ঠাকুরগাও

৬৪। বাংলাদেশের কোন জেলায় শিক্ষার হার বেশি?
উত্তরঃ বরগুনা।

৬৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলমান ও উপমহাদেশের প্রথম ভি সি কে?
উত্তরঃ স্যার এ.এফ. রহমান

৬৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন হলে এক সময়ে সংসদ কার্যক্রম হত?
উত্তরঃ জগন্নাত হল।

৬৭। দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডায়বেটিক্স হাসপাতালের নাম কি?
উত্তরঃ বারডেম।

৬৮। ‘মূসক’ দিবস কবে পালন করা হয়?
উত্তরঃ ১০ জুলাই।

৬৯। বাংলাদেশ কবে ভ্যাট চালু হয়?
উত্তরঃ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই

৭০। বাংলাদেশের কেন্দ্রিয় ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
উত্তরঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৭৭১

৭১। দেশের বৃহত্তম সরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকের নাম কী?
উত্তরঃ সোনালী ব্যাংক।

৭২। বাংলাদেশের প্রথম নোট চালু হয় কবে থেকে?
উত্তরঃ ৪ মার্চ, ১৯৭২

৭৩। বাংলাদেশের সরকারি নোট কয়টি?
উত্তরঃ ৩টি

৭৪। প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর কোন দুইটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
উত্তরঃ মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর

৭৫। দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি ও অবস্থান কোথায়?
উত্তরঃ বেনাপুল, যশোর ।

৭৬। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রের বন্দরটির নাম কী?
উত্তরঃ সোনালিয়া।

৭৭। সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের ‘হলি আর্টিজেন রেস্তোরায়’ জঙ্গি হামলা হয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ২ জুলাই, ২০১৬

৭৮। উপমহাদেশের সর্বপ্রথম কবে এবং কে রেল ব্যবস্থা চালু করেন?
উত্তরঃ ১৮৫৩ সালে লর্ড ডালহৌসী

৭৯। ‘রামপুর টেলিভিশন’ কেন্দ্রটি কত সালে স্থাপিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৭৫ সালে

৮০। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটে কেসের ছবি ছিল?
উত্তর‍ঃ শহীদ মিনারের

৮১। প্রাচীন ‘পুন্ড্রনগর’ কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ মহাস্থানগড়

৮২। বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ কোনটি?
উত্তরঃ পালবংশ

৮৩। পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ কত সালের সংগঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৭৬১ সালে

৮৪। বাংলার বার ভূঁইয়াদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিলেন কে?
উত্তরঃ ঈশা খাঁ

৮৫। বংলা নববর্ষের প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ সম্রাট আকবর

৮৬। সিপাহী বিপ্লব কত সালে সংগঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৫৭ সালে

৮৭। ভারতবর্ষে ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কাদের অবস্থান প্রথম?
উত্তরঃ পর্তূগীজদের

৮৮। ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বাংলা ও ইংরেজি কত সাল?
উত্তরঃ ১১৭৬ বাংলা ও ১৭৭০ ইংরেজি

৮৯। বাংলার চিরস্থায়ি ভূমি ব্যাবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
উত্তরঃ লর্ড কর্ণওয়ালিশ

৯০। বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯১১ সালে।

৯১। অভিবক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রি কে ছিলেন?
উত্তরঃ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

৯২। মহাত্মা গান্ধী বাংলাদেশের কোন জেলা সফর করেছিলেন?
উত্তরঃ নোয়াখালী(১৯৪৫ সালে)

৯৩। ১৯৪৭ সালে কিসের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান আলাদা হয়?
উত্তরঃ দ্বীজাতি তত্তের ভিত্তিতে

৯৪। পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি নিয়ে এগিয়ে আসে কোন সংগঠন?
উত্তরঃ তমুদ্দিন মজলিস

৯৫। পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রির নাম কী?
উত্তরঃ লিয়াকত আলী খান (১৯৪৯)

৯৬। কত সালে ‘আওয়ামী মুসলিম লিগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়?
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালে

৯৭। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শিরোনাম কি ছিল?
উত্তরঃ রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য

৯৮। গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ আসাদ কবে নিহত হ?
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি

৯৯। শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি কখন ও কে প্রদান করেন?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ৩মার্চ, আ.স.ম আব্দুর রব

১০০। মুজিব নগর সরকার শপথ নেয় কত তারিখে?
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালের।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

সাধারণ-জ্ঞানবাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস ও এর নিদর্শনসমূহ দেশের গৌরব বহন করে। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম স্থান গুলো হচ্ছে মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, ময়নামতী, সোনারগাঁ। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান এগুলো আমাদের অতীতের নিদর্শন ও সংস্কৃতি, সে সময়কার জীবনযাপন সম্পর্কে আমরা ধারণা পাই।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা এবং চাকরীর পরীক্ষায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান সমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। আর তাই পরীক্ষায় ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞানের অংশ হিসেবে আমাদের এ ইতিহাসগুলো জানা দরকার।

ঐতিহাসিক স্থান সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো –

প্রশ্ন ১: সোমপুর বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ শ্রী ধর্মপাল দেব।

প্রশ্ন ২: সত্য পীরের ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহারে।

প্রশ্ন ৩: শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ৪: শালবন বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ রাজাধিরাজ ভবদেব।

প্রশ্ন ৫: আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ে।

প্রশ্ন ৬: আনন্দ বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ রাজা আনন্দ দেব।

প্রশ্ন ৭: বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার কোনটি?

উঃ সীতাকোট বিহার।

প্রশ্ন ৮: সীতাকোট বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ দিনাজপুর।

প্রশ্ন ৯: সোনারগাঁও কোন আমলে বাংলাদেশের রাজধানী ছিল?

উঃ মূঘল আমলে।

প্রশ্ন ১০: বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয় কে স্থাপন করেন?

উঃ ঈশা খাঁ।

প্রশ্ন ১১: সোনারগাঁ কার নামানুসারে নামকরণ হয়েছে?

উঃ ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামে।

প্রশ্ন ১২: সোনারগাঁর পূর্বে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ১৩: পাঁচ বিবির মাজার কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁতে।

প্রশ্ন ১৪: বাংলাদেশের একমাত্র লোকশিল্প যাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁতে।

প্রশ্ন ১৫: সোনারগাঁয়ের পূর্ব নাম কি?

উঃ সুবর্ণ গ্রাম।

প্রশ্ন ১৬: ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়?

উঃ ১৬১০ সালে।

প্রশ্ন ১৭: বাংলার রাজধানী রাজস্থান থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন কে?

উঃ সুবেদার ইসলাম খান।

প্রশ্ন ১৮: তাঁরা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ পুরানো ঢাকায়।

প্রশ্ন ১৯: বজরা শাহী মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে।

প্রশ্ন ২০: মুজিব নগর কোথায় অবস্থিত?

উঃ মেহেরপুর।

প্রশ্ন ২১: মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ চট্টগ্রামের রাউজানে।

প্রশ্ন ২২: ষাট গম্ভুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ বাগেরহাট।

প্রশ্ন ২৩: ষাট গম্ভুজ মসজিদ নির্মাণ করেন?

উঃ খান জাহান আলী।

প্রশ্ন ২৪: লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শুরু করেন?

উঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।

প্রশ্ন ২৫: লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শেষ করেন?

উঃ শায়েস্তা খান।

প্রশ্ন ২৬: লালবাগ কেল্লার আদি নাম কি?

উঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ।

প্রশ্ন ২৭: বাংলাদেশের প্রাচীন শহর কোনটি?

উঃ পুন্ড্রবর্ধন। বর্তমানে মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ২৮: মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত?

উঃ বগুড়া।

প্রশ্ন ২৯: খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৩০: বৈরাগীর ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৩১: বৈরাগীর চালা কোথায় অবস্থিত?

উঃ গাজীপুর।

প্রশ্ন ৩২: আনন্দ রাজার দীঘি কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লার ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ৩৩: রামুমন্দির কোথায় অবস্থিত?

উঃ কক্সবাজারের রামু থানায়।

প্রশ্ন ৩৪: উত্তরা গনভবন কোথায়?

উঃ নাটোর।

প্রশ্ন ৩৫: কান্তজির মন্দির কোথায় অবস্থিত?

উঃ দিনাজপুর।

প্রশ্ন ৩৬: বাঘা জামে মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ রাজশাহী।

প্রশ্ন ৩৭: পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁয়ে।

প্রশ্ন ৩৮: আফগান দুর্গ কোথায় অবস্থিত?

উঃ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে।

প্রশ্ন ৩৯: আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?

উঃ নবাব আব্দুল গনি।

প্রশ্ন ৪০: মহাস্থানগড়ের কোন যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে?

উঃ মৌর্য যুগের।

প্রশ্ন ৪১: সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে।

প্রশ্ন ৪২: পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিজারটি কি নামে পরিচিত?

উঃ সোমপুর বিহার।

প্রশ্ন ৪৩: সোমপুর বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ শ্রী ধর্মপাল দেব।

প্রশ্ন ৪৪: সত্য পীরের ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহারে।

প্রশ্ন ৪৫: শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ৪৬: শালবন বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ রাজাধিরাজ ভবদেব।

প্রশ্ন ৪৭: আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ে।

প্রশ্ন ৪৮: আনন্দ বিহার কে তৈরী করেন?

উঃ রাজা আনন্দ দেব।

প্রশ্ন ৪৯: বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার কোনটি?

উঃ সীতাকোট বিহার।

প্রশ্ন ৫০: সীতাকোট বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ দিনাজপুর।

প্রশ্ন ৫১: সোনারগাঁও কোন আমলে বাংলাদেশের রাজধানী ছিল?

উঃ মূঘল আমলে।

প্রশ্ন ৫২: বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয় কে স্থাপন করেন?

উঃ ঈশা খাঁ।

প্রশ্ন ৫৩: সোনারগাঁ কার নামানুসারে নামকরণ হয়েছে?

উঃ ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামে।

প্রশ্ন ৫৪: সোনারগাঁর পূর্বে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৫৫: পাঁচ বিবির মাজার কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁতে।

প্রশ্ন ৫৬: বাংলাদেশের একমাত্র লোকশিল্প যাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁতে।

প্রশ্ন ৫৭: সোনারগাঁয়ের পূর্ব নাম কি?

উঃ সুবর্ণ গ্রাম।

প্রশ্ন ৫৮: ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়?

উঃ ১৬১০ সালে।

প্রশ্ন ৫৯: বাংলার রাজধানী রাজস্থান থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন কে?

উঃ সুবেদার ইসলাম খান।

প্রশ্ন ৬০: তাঁরা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ পুরানো ঢাকায়।

প্রশ্ন ৬১: বজরা শাহী মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে।

প্রশ্ন ৬২: মুজিব নগর কোথায় অবস্থিত?

উঃ মেহেরপুর।

প্রশ্ন ৬৩: মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ চট্টগ্রামের রাউজানে।

প্রশ্ন ৬৪: ষাট গম্ভুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ বাগেরহাট।

প্রশ্ন ৬৫: ষাট গম্ভুজ মসজিদ নির্মাণ করেন?

উঃ খান জাহান আলী।

প্রশ্ন ৬৬: লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শুরু করেন?

উঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।

প্রশ্ন ৬৭: লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শেষ করেন?

উঃ শায়েস্তা খান।

প্রশ্ন ৬৮: লালবাগ কেল্লার আদি নাম কি?

উঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ।

প্রশ্ন ৬৯: বাংলাদেশের প্রাচীন শহর কোনটি?

উঃ পুন্ড্রবর্ধন। বর্তমানে মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৭০: মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত?

উঃ বগুড়া।

প্রশ্ন ৭১: খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৭২: বৈরাগীর ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৭৩: বৈরাগীর চাল কোথায় অবস্থিত?

উঃ গাজিপুর।

প্রশ্ন ৭৪: আনন্দ রাজার দীঘি কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লার ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ৭৫: রামুমন্দির কোথায় অবস্থিত?

উঃ কক্সবাজারের রামু থানায়।

প্রশ্ন ৭৬: উত্তরা গনভবন কোথায়?

উঃ নাটোর।

প্রশ্ন ৭৭: কানত্মজীর মন্দির কোথায় অবস্থিত?

উঃ দিনাজপুর।

প্রশ্ন ৭৮: বাঘা জামে মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

উঃ রাজশাহী।

প্রশ্ন ৭৯: পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?

উঃ সোনারগাঁয়ে।

প্রশ্ন ৮০: আফগান দুর্গ কোথায় অবস্থিত?

উঃ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে।

প্রশ্ন ৮১: আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?

উঃ নবাব আব্দুল গনি।

প্রশ্ন ৮২: মহাস্থানগড়ের কোন যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে?

উঃ মৌর্য যুগের।

প্রশ্ন ৮৩: সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে।

প্রশ্ন ৮৪: পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিজারটি কি নামে পরিচিত?

উঃ সোমপুর বিহার।

প্রশ্ন ৮৫: বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহরটির নাম কী?

উঃ পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর। (প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গড়ে ওঠে)।

প্রশ্ন ৮৬: বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহর পুন্ড্রবর্ধনের বর্তমান নাম কী?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৮৭: মহাস্থানগড় কী জন্য বিখ্যাত?

উঃ বাংলাদেশের প্রাচীন নগর পুন্ড্রবর্ধনের ধ্বংসাবশেষ এবং মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের পুরাকীর্তির জন্য।

প্রশ্ন ৮৮: লক্ষ্মীন্দরের মেধ কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়ে।

প্রশ্ন ৮৯: পরশু রামের প্রাসাদ ও সভাবাটী কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়ে।

প্রশ্ন ৯০: গোবিন্দ ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৯১: ভাসু বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ মহাস্থানগড়।

প্রশ্ন ৯২: প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত?

উঃ বগুড়া জেলায়।

প্রশ্ন ৯৩: মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

উঃ করতোয়া।

প্রশ্ন ৯৪: বৈরাগীর ভিটা/খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?

উঃ বগড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।

প্রশ্ন ৯৫: মহাস্থানগড়ে কোন যুগের শিলালিপি পাওয়া যায়?

উঃ মৌর্য যুগের।

প্রশ্ন ৯৬: শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ কুমিল্লার ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ৯৭: শালবন বিহারে কতটি প্রত্নতত্ত্ব পাওয়া গেছে?

উঃ ১১৫টি।

প্রশ্ন ৯৮: ময়নামতিতে বৌদ্ধ সভ্যতার খনন কাজ করা হয় কখন?

উঃ ১৯৫৫ সালে।

প্রশ্ন ৯৯: আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত?

উঃ শালবন বিহারের দুই মাইল উত্তরে (কুমিল্লা জেলার) ময়নামতিতে।

প্রশ্ন ১০০: কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত আনন্দ বিহারের খনন কাজ শুরু হয় কখন?

উঃ ১৯৭৬ সালে।

চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেসিক কম্পিউটার স্কিল

বেসিক কম্পিউটারবর্তমান সময়ে চাকরির জন্য একাডেমি কোয়ালিফিকেশনের পাশাপাশি বেসিক কম্পিউটার স্কিল প্রত্যাশা করে। শিক্ষার্থীরা যারা উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেই বেসিক কম্পিউটার স্কিল সম্পন্ন করে, চাকারীপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে তারা অনেকটাই এগিয়ে থাকে।

এর একটাই কারণ, ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে অফিস; সব জায়গাতেই এখন কম্পিউটারের ব্যবহার। যেকোন চাকরির আবেদনে জন্য কম্পিউটারের সর্ম্পকে বেসিক স্কিল থাকা দরকার। আজকে আমরা কম্পিউটার শিক্ষার সেই বিষয়গুলোর প্রতি আলোকপাত করবো, যা প্রাথমিকভাবে আপনার জানা দরকার।

কম্পিউটারের বেসিক বিষয় গুলো নিচে দেওয়া হলো –

১. টাইপিং দক্ষতা

মোবাইলে আমরা সবাই খুব সহজে টাইপ করতে পারলেও কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে একনাগাড়ে টাইপ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এটি কষ্টসাধ্য হলেও একেবারেই অসম্ভব কিন্তু নয়। সাধারণ কোন চাকরীতেও একজন কম্পিউটার অপারেটরের ইংরেজী টাইপ করার গতি ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ৪০টি শব্দ পর্যন্ত চাওয়া হয়।

তাই আপনাকে অবশ্যই টাইপিং কাজে মোটামুটি দক্ষ হতে হবে। তবে শুধুমাত্র ইংরেজীই না, পাশাপাশি নিজের ভাষাও কম্পিউটার ব্যবহার করে লিখতে জানতে হবে। শুধুমাত্র চাকরীই না, নিজের অনেক ব্যক্তিগত কাজও ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে করা সম্ভব।

আপনি হয়তো অ্যাসাইনমেন্টের জন্য একজন টাইপিস্টের শরণাপন্ন হন। কিন্তু আপনি নিজেই যদি ভালোভাবে টাইপ করতে পারেন, তাহলে বাইরের কাউকে দিয়ে টাইপ করানোর প্রয়োজন হবে না। এতে করে নিজের অর্থ এবং সময়- দুটোই বাঁচবে।

ওয়ার্ড প্রসেসিং এর কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যার:

Microsoft Word
LibreOffice Writer
WPS Office Free Writer
FocusWriter
FreeOffice TextMaker
Writemonkey

তবে শুধু টাইপিংই শেষ কাজ নয়। টাইপ করা লেখাগুলো ফরমেটিং করে উপস্থাপনা করতেও জানতে হবে। এছাড়া সাধারণ টেক্সটের সাথে ওয়ার্ড প্রসেসিংএর অন্যান্য উপকরণগুলো মিশিয়ে এটিকে প্রফেশনাল রূপ দিতে হবে।

২. গাণিতিক সমস্যা সমাধান

যখন কেউ গাণিতিক সমস্যা কিংবা কোনো হিসাব-নিকাশের কথা বলে, তখন মাথায় আসে মাইক্রোসফট এক্সেল এর নাম। মাইক্রোসফট এক্সেল মূলত হলো একধরণের স্প্রেডশিট। সেখানে বিভিন্ন ধরণের টেবিলের মাধ্যমে কোনোকিছুর পরিসংখ্যান দেখানো হয়। যেমন: শেয়ার বাজারের সূচক, অফিসের কর্মীদের কাজে আসার সময়সূচী বা স্যালারী শীট কিংবা শিক্ষার্থীদের মার্কশিট ইত্যাদি।

এক্সেল শীট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি সহজ থেকে কঠিনতর গাণিতিক সমস্যাগুলো খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন। বেসিক এই কম্পিউটার স্কিল অর্জনের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। আর বর্তমান আইসিটি খাতে ডাটা এন্ট্রির মতন কাজগুলোর চাহিদা কিন্তু প্রচুর। এই কম্পিউটার স্কিলটি তাই বিভিন্ন কাজে আসতে পারে

হিসাব-নিকাশের কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যার:

Microsoft Office Excell
Apache OpenOffice
Zoho Sheet
LibreOffice
Bime
FreeOffice 2016
ThinkFree
Numbers For Mac

৩. প্রেজেন্টেশনে দক্ষতা

আপনি ইউনিভার্সিটিতে পড়েন অথবা কোন প্রাইভেট ফার্মে জব করেন, উভয় জায়গাতেই আপনাকে প্রেজেন্টেশনে প্রস্তুত থাকতে হবে। সাধারণত কোন একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্টে নিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রেজেন্টশন করে করে প্রজেক্টটি সবকিছু বুঝিয়ে বলে।
তবে এই কাজটি আগে কাগজে কলমে এঁকে করার প্রচলন থাকলেও এখন সময় বদলেছে। প্রেজেন্টেশনে আধুনিকতা আনয়নের লক্ষে এ কাজ এখন বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়।

প্রোজেক্ট ডিসপ্লে এবং প্রেজেন্টেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে দুইটি সফটওয়্যার আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। আর তা হলো গুগল স্লাইড এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট। এই দুইটি সফটওয়্যার প্রায় একই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলেও এদের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য রয়েছে।

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে রয়েছে অসংখ্য টুলস। যার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন। অপরদিকে আর গুগল স্লাইডে খুব বেশি টুল না থাকলেও চটজলদি প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাশাপাশি এটি গুগলের একটি সেবা হওয়ায় আপনি বিশ্বের যেকোন স্থান হতে এটি এক্সেস করতে পারবেন।

PowerPoint
Google Slides
Prezi
Vyond
Zoho Show
Keynote
Haiku Deck

উপরে উল্লেখিত প্রতিটি সফটওয়্যারেই রয়েছে অসংখ্য স্লাইড তৈরি করার অপশন। সেই সাথে ছবি অ্যাটাচ করা যায়, মিউজিক অ্যাড করা যায়, থিম পালটানো যায়, ফন্ট চেঞ্জ করার পাশাপাশি এর কালার ও সাইজেও পরিবর্তন আনা যায়। তাই বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ারে অন্যদের সাথে টিকে থাকার জন্য এই কম্পিউটার স্কিলটি আপনার থাকতেই হবে!

৪. গ্রাফিক্স ডিজাইন

আপনি কি আঁকাআঁকি করতে পছন্দ করেন? যদি উত্তর হয় হ্যাঁ, তাহলে কম্পিউটারের বেসিক স্কিল হিসেবে আপনার গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে নেয়া উচিত। গ্রাফিক্স ডিজাইন কম্পিউটার শেখার এমন একটি অংশ যা ছাড়া আপনার কম্পিউটার জ্ঞান একেবারেই অসম্পূর্ণ।

গ্রাফিক্সের বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার প্রয়োজনীয় ম্যাগাজিন, ব্যানার ও পোস্টার তৈরি করতে পারেন নিমিষেই। শুধু তাই নয়, বন্ধুদের ছবিগুলো সুন্দর করে এডিট করে তাদের উপহারও দিতে পারেন। এতে করে আপনার গ্রাফিক্স চর্চা অব্যহত থাকবে এবং পরবর্তীতে আপনি এ কাজে আরো অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন।

গ্রাফিক ডিজাইন শেখার কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যার:

Sketch
Adobe Illustrator
Affinity Designer
Adobe InDesign
GIMP
Gravit Designer
Canva

উপরে উল্লেখ করা এসব সফটওয়্যার গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। যদিও এই সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে পেমেন্ট দিতে হবে, কিন্তু আপনি এগুলো পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন। তবে এমনি অনেক বিনামূল্যের এডিটিং সফটওয়্যার এবং টুল পাওয়া যায়, যা দিয়ে আপনি বেশ ভালোভাবেই ডিজাইন শিখতে পারবেন।

গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো দক্ষতার্জন করলে প্রেজেন্টেশনে এই স্কিল কাজে আসবে। বিভিন্ন ইফেক্ট ও ভিডিও ক্লিপ ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার প্রেজেন্টেশনটি হয়ে উঠবে অন্যদের কাছে সহজবোধ্য ও আলাদা। আর আপনি যদি কম্পিউটারে এডোবি ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে থাকেন,তাহলে এসব কাজের জন্য সবার আগে কিন্তু আপনাকেই ডাকা হবে!

৫. ইমেইল পাঠানো এবং গ্রহণ

আপনি একটি কম্পিউটার চালাবেন আর ইমেইল সম্পর্কে জানেন না, তা কি হয়? কম্পিউটারের অন্যতম একটি বেসিক স্কিল হচ্ছে ইমেইল সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা রাখা। আপনাকে জানতে হবে কিভাবে একটি ইমেইল লিখতে হয়, সেটিকে প্রাপকের কাছে পাঠাতে হয় এবং গ্রহণ করতে হয়।

২০২০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বজুরে প্রায় ৪ মিলিয়ন ইমেইল ব্যবহারকারী রয়েছে, যা ২০২৫ সালে ৪.৫ মিলিয়নে পৌঁছাবে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, ইমেইলের ব্যবহার জানা কতটা গুরত্বপূর্ণ। তাই ইমেইলের যাবতীয় সব ব্যবহার জানা অতীব জরুরী।

নিচের প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুরে বিনামূল্যে ইমেইল সেবা দিয়ে থাকে:

Gmail
AOL
Outlook
Zoho
com
Yahoo! Mail
ProtonMail
iCloud Mail

৬. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং

সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো হলো নেটওয়ার্কিংয়ের সবচেয়ে কার্যকরী জায়গা। কারণ এইসব সাইটগুলোতে আমরা নানা ধরণের ও পেশার মানুষের সাথে পরিচিত হই। এইসব মানুষেরা আমাদের পরবর্তীতে নানান উপকারে আসতে পারেন।
তবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং স্কিলসের মধ্যে আপনি কীভাবে কার সাথে কথা বলবেন, নেগেটিভিটি কীভাবে এড়িয়ে চলবেন- এগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট এবং অ্যাপগুলো মানুষের চেয়েও বেশি এক্টিভ থাকে! তবে এগুলো ব্যবহার করতে চাইলে খুব বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না। তাই শিক্ষার্থীরা প্রায় সবাই এগুলো ব্যবহার করে থাকে।

পড়াশোনা ছাড়া শিক্ষার্থীদের তেমন একটা কাজ থাকে না। তাই তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটায় এবং ধীরে ধীরে তারা এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো ব্যবহারের স্কিল এবং মেথডগুলো জানা জরুরি।

৭. বেসিক কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

কম্পিউটারের বিভিন্ন সফটওয়্যারের কাজ শেখা শেষ হলে আপনার উচিত হবে এর বাহ্যিক দিকে মনোযোগ দেয়া। কম্পিউটারের কোনো পার্টস নষ্ট হয়ে গেলে তা বুঝতে পারা এবং ঠিক করার উপায় জানা জরুরি। যদিও বেসিক অবস্থায় কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সকল সমস্যার সমাধান আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না।

আপনার জানা উচিত পিসি কীভাবে পরিষ্কার এবং ভাইরাসমুক্ত রাখা যায়। র‍্যাম, হার্ডডিস্ক, বেসিক ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কেও ভালো ধারণা রাখা প্রয়োজন। এসব টুকটাক কাজ নিজের জানা থাকলে সাধারণ কোন সমস্যার জন্য সার্ভিসিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। বরং আপনি নিজেই বসের মত এগুলো ঠিক করতে পারবেন।

অর্থনীতি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

সাধারণ-জ্ঞানবিশ্ববিদ‌্যালয় ভর্তি কিংবা চাকরীর পরীক্ষায় অর্থনীতি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান এর প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে অর্থনীতি বিষয় নিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনেক ধারণা রাখা উচিত। আজ কোর্সটিকায় আমরা অর্থনীতি বিষয়ক এমন কিছু সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো, যেগুলো ভর্তি পরীক্ষা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা কিংবা চাকরীর পরীক্ষা; সব জায়গাতেই প্রয়োজন হবে।

অর্থনীতি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো-

১. কে অর্থনীতিকে ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক এ দুটি অংশে বিভক্ত করেন?
উত্তর: রাগনার ফ্রেশ, ১৯৩৩ সালে

২. আধুনিক যুগে অর্থনীতিকে পৃথক কয়টি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা যায়?
উত্তর: দুটি, যথা- ক) ব্যষ্টিক খ) সামষ্টিক

৩. প্রাপ্তির দিক দিয়ে দ্রব্য কত প্রকার?
উত্তর: দু’প্রকার। যথা- ১) অবাধ দ্রব্য ২) অর্থনৈতিক দ্রব্য

৪. আর্থিক আয় কাকে বলে?
উত্তর: শ্রমের বিনিময়ে যে পরিমাণ অর্থ প্রাপ্ত হয়।

৫. প্রকৃত আয় কি?
উত্তর: আর্থিক আয়ের বিনিময়ের যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা ক্রয় করা যায়।

৬. অর্থনীতিতে ভোগ কি?
উত্তর: অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের মাধ্যমে কোন দ্রব্যের উপযোগ নি:শেষ করা।

৭. সঞ্চয় কাকে বলে?
উত্তর: যে অংশ বর্তমানে ভোগ না করে ভবিষ্যতে ভোগের জন্য রেখে দেওয়া হয়।

৮. কোন দ্রব্যের বিনিময় মূল্য নির্ভর করে
উত্তর: চাহিদা ও যোগানের উপরে।

৯. সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যে সম্পর্ক কি?
উত্তর: ঘনিষ্ট সম্পর্ক।

১০. কোন দ্রব্যের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে কি বলে?
উত্তর: উপযোগ

১১. অভাব কি ?
উত্তর: মানুষের সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলীর উৎস হল অভাব।

১২. অভাব কত প্রকার?
উত্তর: ৩ প্রকার। যথা- ১) প্রয়োজনীয় ২) আরামপ্রদ ৩) বিলাসজাত

১৩. মানুষের প্রয়োজনীয় অভাব কত প্রকার ও কি কি?
উত্তর: ৩ প্রকার। যথা: ১) জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজন ২) দক্ষতার জন্য প্রয়োজন ৩) অভ্যাসজনিত প্রয়োজন

১৪. ভোগ ক্রিয়ার ভিত্তিতে বিলাস দ্রব্য কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার। যথা: ১) ক্ষতিকারক বিলাস দ্রব্য ২) ক্ষতিহীন বিলাস দ্রব্য

১৫. অভাবের বৈশিষ্ট্য প্রধানত কয়টি?
উত্তর: ৪টি। ১) অভাব অসীম ২) বিশেষ অভাব সসীম ৩) অভাব পরস্পর পরিপূরক ৪) অভাব পরস্পরের বিকল্প

১৬. কোন দ্রব্যের দ্বারা মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে কি বলে?
উত্তর: উপযোগ।

১৭. অতিরিক্ত এক একক ভোগ করার ফলে মোট উপযোগের যে পরিবর্তন হয় তাকে কি বলে?
উত্তর: প্রান্তিক উপযোগ।

১৮. প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মোট উপযোগ কি হবে?
উত্তর: ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে।

১৯. প্রান্তিক উপযোগ ঋনাত্বক হলে
উত্তর: মোট উপযোগ কমবে।

২০. প্রান্তিক উপযোগ রেখাটি ডানদিকে নিম্নগামী হয় কেন?
উত্তর: ভোগ বাড়লে প্রান্তিক উপযোগ কমে।

২১. চাহিদার তিনটি বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন আকাঙ্খাকে কি বলে?
উত্তর: সক্রিয় চাহিদা।

২২. দামের সাথে চাহিদার নির্ভরশীলতাকে কি বলে?
উত্তর: চাহিদা বিধি।

২৩. চাহিদা সূচি কত প্রকার?
উত্তর: ২ প্রকার। যথা: ১) ব্যক্তিগত চাহিদা সূচি ২) বাজার চাহিদা সূচি

২৪. চাহিদা রেখা ডানদিকে নিম্নগামী কেন?
উত্তর: দাম ও চাহিদার মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্কের কারণে

২৫. চাহিদা সূচি ও চাহিদা রেখা কি প্রকাশ করে?
উত্তর: চাহিদা বিধি

২৬. নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দামে বিক্রেতাগণ কোন দ্রব্যের যে পরিমাণ বিক্রয় করতে প্রস্তুত থাকে, তাকে কি বলে?
উত্তর: যোগান।

২৭. যোগানের সাথে সরাসরি সম্পর্ক কিসের?
উত্তর: দামের।

২৮. বিক্রেতা যে দামে দ্রব্য বিক্রয় করতে রাজি থাকে, তাকে কি বলে?
উত্তর: যোগান দাম।

২৯. যে বিধির সাহায্যে দ্রব্যের দাম ও যোগানের সম্পর্ক প্রকাশ করা হয় তাকে কি বলে?
উত্তর: যোগান বিধি।

৩০. এককের অধিক স্থিতিস্থাপক যোগান রেখার ঢাল কিরূপ?
উত্তর: দাম অংক ছেদ করে ডান দিকে ঊর্ধ্বগামী।

৩১. এককের কম স্থিতিস্থাপক যোগান রেখার ঢাল কিরুপ?
উত্তর: ভুমি অংকে ছেদ করে ডান দিকে ঊর্ধ্বগামী।

৩২. আধুনিক অর্থ ব্যবস্থার প্রাণ কেন্দ্র কি?
উত্তর: বাজার

৩৩. যে বাজারে একজন মাত্র ক্রেতা থাকে তাকে কোন ধরনের বাজার বলে?
উত্তর: মনোপলি বাজার

৩৪. যে বাজারে দুইজন মাত্র ক্রেতা থাকে তাকে কোন ধরনের বাজার বলে?
উত্তর: ডুয়োপলি বাজার

৩৫. যে বাজারে একমাত্র বিক্রেতা থাকে তাকে কোন ধরনের বাজার বলে?
উত্তর: একচেটিয়া

৩৬. সময়ের ভিত্তিতে উৎপাদন ব্যয় কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার। যথা: ১) স্বল্পকালীন উৎপাদন ব্যয় ২) দীর্ঘকালীন উৎপাদন ব্যয়

৩৭. কোন দ্রব্যের অতিরিক্ত এক একক উৎপাদন করতে মোট খরচ যে পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তাকে কি বলে?
উত্তর: প্রান্তিক ব্যয়

৩৮. উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনের সাথে সাথে ব্যয়েরও পরিবর্তন হলে, তাকে কি বলে?
উত্তর: পরিবর্তনীয় ব্যয় (VC)

৩৯. উৎপাদন শূন্য হলে পরিবর্তনীয় ব্যয় কি হবে?
উত্তর: শূন্য

৪০. উৎপাদন কাজে স্থির উপকরণের জন্য যে খরচ হয় তাকে কি বলে?
উত্তর: স্থির ব্যয়

৪১. কোন স্তরের পর উৎপাদন বাড়ানো হলে গড় ব্যয় ও প্রান্তিক ব্যয় বাড়ে?
উত্তর: কাম্য স্তরের পর।

৪২. উৎপাদিত দ্রব্য বাজারে বিক্রি করে যে অর্থ পাওয়া যায় তাকে কি বলে?
উত্তর: আয়

৪৩. আয় কত প্রকার?
উত্তর: তিন প্রকার। যথা: ১) মোট আয় ২) প্রান্তিক আয় ৩) গড় আয়

৪৪. উৎপাদিত দ্রব্যের সবই বিক্রয় করে যে অর্থ পাওয়া যায় তাকে কি বলে?
উত্তর: মোট আয়

৪৫. কোন দ্রব্যের বিনিময় মূল্যকে টাকার অংকে প্রকাশ করলে তাকে কি বলে?
উত্তর: দাম

৪৬. সময়ের ভিত্তিতে দামকে কয়ভাবে প্রকাশ করা যায়?
উত্তর: তিন ভাবে। যথা: ১) বাজার দাম ২) স্বল্পকালীন ভারসাম্য দাম ৩) দীর্ঘকালীন ভারসাম্য দাম।

৪৭. চাহিদা ও যোগানের দীর্ঘকালীন প্রভাবে যে দাম নির্ধারিত হয় তাকে কি বলে?
উত্তর: স্বাভাবিক দাম।

৪৮. একচেটিয়া কারবারের উদ্দেশ্য কি?
উত্তর: অধিক মুনাফা অর্জন।

৪৯. অধিক মুনাফা কখন অর্জন করা সম্ভব?
উত্তর: ভারসাম্য উপনিত হলে।

৫০. সমাজতন্ত্রে কিসের উপর নির্ভর করে দাম নির্ধারণ করা ‘হয়?
উত্তর: যোগান খরচ।

৫১. কোন ধরণের অর্থনীতিতে স্বল্পসময়ে উন্নতির চুড়ান্ত শিখরে পৌছাতে পারে?
উত্তর: সমাজতান্ত্রিক।

৫২. বাংলাদেশে উৎপাদিত ফসলকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর: দুই ভাগে।

৫৩ বাংলাদেশের প্রধান দুটি খাদ্য শস্যের নাম কি?
উত্তর: চাউল, গম।

৫৪. উৎপাদনের কয়টি খাত রয়েছে ও কি কি?
উত্তর: ৩টি। যথা: ১. প্রাথমিক খাত ২. মধ্যবর্তী খাত ৩. টারসিয়ারী খাত

৫৫. টারসিয়ারী খাতে উৎপাদিত সেবাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কি কি?
উত্তর: ২ ভাগে। যথা: ১. বাণিজ্যিক সেবা ২. প্রত্যক্ষ বা ব্যক্তিগত সেব

৫৬. অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কি বুঝায়?
উত্তর: উপযোগ সৃষ্টি করাকে।

৫৭. “যদি ভোগ বলতে উপযোগের ব্যবহার বুঝায় তবে উৎপাদন বলতে উপযোগ সৃষ্টি বুঝায়”- কার উক্তি?
উত্তর: Fraser.

৫৮. “বিক্রির জন্য দ্রব্য সামগ্রীর উৎপাদন এবং মূল্যের বিনিময়ে যে সেবাকার্য প্রদান করা হয় তাকে উৎপাদন বলে।”- উক্তিটি কার?
উত্তর: কেয়ার্নক্রসের।

৫৯. উপযোগ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তর: ৪ প্রকার। যথা: ১. রূপগত উপযোগ ২. স্থানগত উপযোগ ৩. সময়গত উপযোগ ৪. সেবাগত উপযোগ

৬০. উৎপাদনের উপকরণ সমূহ কত প্রকার?
উত্তর: ৪ প্রকার। যথাঃ ১. ভূমি ২. শ্রম ৩. মূলধন ৪. সংগঠন

৬১. উৎপাদনের কোন উপাদান স্থানান্তরযোগ্য নয়?
উত্তর: ভূমি।

৬২. প্রকৃতির দান যাহা মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না তাকে কি বলে?
উত্তর: ভূমি।

৬৩. একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ভূমি যে পরিমাণ উৎপাদনে সক্ষম, তাকে কি বলে?
উত্তর: ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা।

৬৪. কোন নির্দিষ্ট ভূমিতে শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করলে কি হয়?
উত্তর: প্রান্তিক ও গড় উৎপাদন ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে।

৬৫. প্রান্তিক উৎপাদন ক্ষমতা বলতে কি বুঝায়?
উত্তর: প্রান্তিক আয় উৎপাদন এবং প্রান্তিক দ্রব্য উৎপাদন।

৬৬. “শ্রমিক তার শ্রম বিক্রয় করে মাত্র, নিজেকে বিক্রয় করে না।” উক্তিটি কার?
উত্তর: অধ্যাপক মার্শাল।

৬৭. উৎপাদনশীল ও অনুৎপাদনশীল শ্রমের ব্যাপারে কয়টি ধারণা রয়েছে?
উত্তর: তিনটি। যথা ১. ফিজিও ক্রাটিক ধারণা ২. ক্ল্যাসিক্যাল ধারণা ৩. আধুনিক ধারণা

৬৯. অর্থনীতির উপর লিখিত কয়টি মতবাদ উল্লেখযোগ্য?
উত্তর: ২টি। যথাঃ ১. ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব ২. কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্ব

৭০. “Man multiply like mice nin a barn”- উক্তিটি কার?
উত্তর: ক্যানটিলনের।

৭১. “ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব” কোন গ্রন্থে কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: “Essay on the principle of population” নামক গ্রন্থে ১৭৯৮ সালে।

৭২. ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বে কি উপেক্ষিত হয়েছে?
উত্তর: জনসংখ্যার গুনগতদিক

৭৩. জনসংখ্যার আধুনিক তত্ত্ব কি নামে পরিচিত?
উত্তর: কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্ব।

৭৪. জনসংখ্যা তত্ত্বটির প্রবক্তা কারা?
উত্তর: ক্যানান, মিউজিক, কার ম্যান্ডর্স প্রমুখ অর্থনীতিবদি।

৭৫. শ্রমের দক্ষতা কি?
উত্তর: শ্রমের উপাদান ক্ষমতা।

৭৬. শ্রমের গতিশীলতা কত প্রকার?
উত্তর: চার প্রকার। যথাঃ ১. ভৌগোলিক ২. পেশাগত ৩. শিল্পগত ৪. স্তরগত

৭৭. ‘সঞ্চিত শ্রম ও সঞ্চিত প্রাকৃতিক সম্পদের যুক্ত ফল হচ্ছে মূলধন’ – কার উক্তি?
উত্তর: অর্থনীতিবিদ উহকসেল।

৭৮. ‘মূলধন উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান’- কার উক্তি?
উত্তর: বমবওয়ার্ক

৭৯. মালিকানার ভিত্তিতে মূলধন কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার। ১. ব্যক্তিগত ২. জাতীয়

৮০. কার্যকালের ভিত্তিতে মূলধন কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার। ১. স্থায়ী মূলধন ২. চলতি মূলধন

৮১. ব্যবহারের তারতম্যের ভিত্তিতে মূলধন কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার। যথাঃ ১. ভোগ্য মূলধন ২. উৎপাদক মূলধন

৮২. মূলধন গঠনের স্তর কয়টি?
উত্তর: তিনটি। ১. সঞ্চয় সৃষ্টি ২. সঞ্চয়ক বিনিয়োগ তহবিল ৩. সঞ্চিত অর্থ দ্বারা মূলধন দ্রব্য সংগ্রহ।

৮৩. ধনতন্ত্রে মূলধন সৃষ্টি কয়টি উদ্যোগ হয়ে থাকে?
উত্তর: দুইটি। যথাঃ ১. বেসরকারী উদ্যেগ ২. সরকারী উদ্যেগ

৮৪. অতিভোগ স্তর বা অর্থনীতির চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হওয়া কখন সম্ভব?
উত্তর: মূলধনের যথাযথ প্রয়োগ ও ব্যবহার করার পর।

৮৫. মূলধন গঠন কয়টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
উত্তর: তিনটি। যথাঃ ১. সঞ্চয়ের সামর্থ্য ২. সঞ্চয়ের ইচ্ছা ৩. বিনিয়োগের সুযোগ

৮৬. মূলধনের অন্যতম রূপ?
উত্তর: অর্থ।

৮৭. পুঁজিবাদী সমাজের মূলধন গঠনের প্রক্রিয়া কয়টি ও কি কি?
উত্তর: ৩টি। ১. আর্থিক সঞ্চয়ের সৃষ্টি ২. আর্থিক সঞ্চয় সৃষ্টি ৩. আর্থিক সঞ্চয়কে মূলধন দ্রব্যে রূপান্তর

৮৮. ব্যবসায়ের অতি প্রাচীনতম রূপ কি?
উত্তর: এক মালিকানা কারবার।

৮৯. অংশীদারী কারবারে কতজন ব্যক্তি কারবারের সদস্য হতে পারে?
উত্তর: ন্যূনতম ২ জন এক সর্বাধিক ২০ জন।

৯০. যৌথ মূলধনী কারবার কত শতাব্দীতে চালু হয়?
উত্তর: ১৭তম শতাব্দীতে।

৯১. কোন দেশে প্রথম যৌথমূলধনী কারবার চালু হয়?
উত্তর: ইংল্যান্ডে।

৯২. বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ কয়টি ও কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ২টি। ঢাকা ও চট্টগ্রামে।

৯৩. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৫৪ সালে।

৯৪. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কত সালে কার্যক্রম শুরু করে?
উত্তর: ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর।

৯৫. উৎপাদনের সর্বশেষ উপাদান কোনটি?
উত্তর: সংগঠন।

৯৬. মিশ্র অর্থনীতিতে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে কে?
উত্তর: জনসাধারণ ও সরকার।

৯৭. ভূমি, শ্রম ও মূলধনের সমন্বয়কে কি বলে?
উত্তর:সংগঠন।

৯৮. সংগঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কাজ কি?
উত্তর: ঝুঁকি বহন।

৯৯. “শ্রম বিভাগ বাজারের আয়তন দ্বারা সীমাবদ্ধ” কার উক্তি?
উত্তর: এ্যাডাম স্মিথ।

১০০. মুসলমানদের হজ্বকে কেন্দ্র করে পবিত্র মক্কা নগরীতে কি কি শিল্প গড়ে উঠেছে?
উত্তর: পোশাক, জায়নামাজ, তসবীহ ইত্যাদি শিল্প।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

আন্তর্জাতিকযেকোন চাকরীর পরীক্ষা এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাতেও সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বলতে মূলত বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীকে বোঝায়। তাই বেশি বেশি এসব গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো-

প্রশ্ন ১: ভারতীয় লোকসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত? (২৭তম, ২৬তম)
উত্তর : ৫৪৩।

প্রশ্ন ২: Trafalgar Square-এর অবস্থান (৪৩তম, ১২তম)
উত্তর : ইংল্যান্ডে।

প্রশ্ন ৩: হারারে’র পূর্ব নাম কী? (৩১তম, ১১তম)
উত্তর : সলসব্যারী।

প্রশ্ন ৪: ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে? (৩১তম, ২৪তম)
উত্তর : ভারত ও পাকিস্তান ।

প্রশ্ন ৫: ‘বান্দুং’ শহরটি কোন দেশে অবস্থিত? (২৫তম, ২৩তম)
উত্তর : ইন্দোনেশিয়া।

প্রশ্ন ৬: ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয়’ নগরী কোথায়? (১৯তম, ১০ম)
উত্তর : তুরস্কে।

প্রশ্ন ৭: জনসংখ্যার ভিত্তিতে বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র কোনটি? (৩২তম, ১৯তম)
উত্তর : ইন্দোনেশিয়া।

প্রশ্ন ৮: নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়? (২১তম, ১৭তম, ১৬তম)
উত্তর : ৪ এপ্রিল ১৯৪৯।

প্রশ্ন ৯: ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতির তদারকির কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাহিনী কোন নামে পরিচিত ছিল? (৪৩তম, ১৪তম)
উত্তর : UNIIMOG

প্রশ্ন ১০: জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়? (৩৬তম, ২১তম)
উত্তর : ১৯৪৫।

প্রশ্ন ১১: জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? (২৯তম, ১৯তম)
উত্তর : নিউইয়র্ক।

প্রশ্ন ১২: জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন? (২৬তম, ১০ম)
উত্তর : ট্রিগভেলি।

প্রশ্ন ১৩: জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য কয়টি? (৪৩তম, ৪০তম)
উত্তর : ১৭।

প্রশ্ন ১৪: ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC)-র প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় কোথায়? (২২তম, ১০ম)
উত্তর : জেদ্দা।

প্রশ্ন ১৫: জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? (২৫তম, ১৭তম)
উত্তর : বেলগ্রেড

প্রশ্ন ১৬: NAM-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (৩৬তম, ২২তম)
উত্তর : ১২০।

প্রশ্ন ১৭: ইউরো মুদ্রা কখন চালু হয়? (২৬তম, ২০তম)
উত্তর : ১ জানুয়ারি ১৯৯৯।

প্রশ্ন ১৮: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস-এর সদর দপ্তর (৩৬তম, ৩২তম)
উত্তর : জেনেভা।

প্রশ্ন ১৯: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়? (৪৩তম, ২৬তম)
উত্তর : জার্মানি।

প্রশ্ন ২০: বিশ্ব মানবাধিকার দিবস- (৪৩তম, ৩০তম, ২৬তম, ১১তম)
উত্তর : ১০ ডিসেম্বর।

প্রশ্ন ২১: কোন তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়? (৩০তম, ২৬তম)
উত্তর : ৫ জুন।

প্রশ্ন ২২: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত ? (৩৪তম, ২৪তম)
উত্তর : লন্ডন ।

প্রশ্ন ২৩: World Development Report কোন সংস্থার বার্ষিক প্রকাশনা? (৪৩তম, ৩৭তম)
উত্তর : World Bank।

প্রশ্ন ২৪: কখন থেকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লেনদেন শুরু হয়? (১৪তম, ১৩তম)
উত্তর : ১৯৬৬ সালে ।

প্রশ্ন ২৫: সার্কের সদর দপ্তর কোথায়? (৩৮তম, ২৯তম)
উত্তর : কাঠমান্ডু।

প্রশ্ন ২৬: সার্ক কোন সালে কোথায় প্রতিষ্ঠিতহয়? (৩৬তম, ২২তম, ২০তম)
উত্তর : ১৯৮৫ সালে; ঢাকায় ।

প্রশ্ন ২৭: পানামা খাল কোন কোন মহাসাগরকে যুক্ত করেছে? (২৫তম, ২৩তম)
উত্তর : আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর।

প্রশ্ন ২৮: ‘শাহনামা’-এর লেখক কে? (২৬তম, ১৮তম)
উত্তর : কবি ফেরদৌসী।

প্রশ্ন ২৯: The Lady with the Lamp’ নামে পরিচিত (৪৩তম, ৩৪তম)
উত্তর : ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

প্রশ্ন ৩০: মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম (৪৩তম)
উত্তর : ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার।

প্রশ্ন ৩১: কোন রাষ্ট্রটি বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়? (৪৩তম)
উত্তর : কম্বোডিয়া।

প্রশ্ন ৩২: জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : এডেন উপসাগরের পাশে।

প্রশ্ন ৩৩: কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের “Thirty years’ war”-এর সমাপ্তি ঘটে? (৪২তম)
উত্তর : ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি, ১৬৪৮।

প্রশ্ন ৩৪: মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (৪২তম)
উত্তর : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।

প্রশ্ন ৩৫: আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস-এর উন্মেষ ঘটে কোন দেশ হতে? (৪২তম)
উত্তর : চীন।

প্রশ্ন ৩৬: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য ন্যূনতম কতজন ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়োজন? (৪১তম)
উত্তর : ১৯৯১।

প্রশ্ন ৩৭: কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য? (৪১তম)
উত্তর : তুরস্ক।

প্রশ্ন ৩৮: ‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? (৪০তম)
উত্তর : অমর্ত্য সেন।

প্রশ্ন ৩৯: এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালি ? (৪১তম)
উত্তর : বাবেল মান্দেব প্রণালি।

প্রশ্ন ৪০: নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান? (৪১তম)
উত্তর : ভিয়েতনাম ।

প্রশ্ন ৪১: ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান বিলীনের বিষয়টি কোন চুক্তিতে বলা হয়েছে? (৩৮তম)
উত্তর : মন্ট্রিল প্রটোকল ।

প্রশ্ন ৪২: সলোমন দ্বীপপুঞ্জে কোন মহাসাগরে অবস্থিত? (৩৭তম)
উত্তর : প্রশান্ত মহাসাগর।

প্রশ্ন ৪৩: জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে (৩৭তম)
উত্তর : IPCC

প্রশ্ন ৪৪: ‘Law of the Sea Convention’ অনুযায়ী, উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone’ হিসেবে গণ্য? (৩৭তম)
উত্তর : ২০০ নটিক্যাল মাইল ।

প্রশ্ন ৪৫: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বেলফোর ঘোষণা ১৯১৭-এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল (৩৫তম)
উত্তর : ইহুদিদের জন্য একটি জাতিরাষ্ট্র গঠন ।

প্রশ্ন ৪৬: ‘গ্লাসনস্ত নীতি’ কোন দেশে চালু হয়েছিল? (৩৫তম)
উত্তর : সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।

প্রশ্ন ৪৭: ‘উইঘুর’ হলো— (৩৫তম)
উত্তর : চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম।

প্রশ্ন ৪৮: ‘মংডু’ কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা? (৩৫তম)
উত্তর : বাংলাদেশ-মিয়ানমার।

প্রশ্ন ৪৯: ১৯৮৯ থেকে ওজনস্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কতবার সংশোধন করা হয়? (৩৫তম)
উত্তর : ৪।

প্রশ্ন ৫০: আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ? (৩৪তম)
উত্তর : ভ্যাটিকান।

বাংলাদেশ সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন

সাধারণ-জ্ঞান প্রশ্নসাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী বিভিন্ন প্রশ্ন চাকরী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আসার সম্ভবনা থাকে। প্রশ্নগুলো বিভিন্ন বিভিন্ন নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে শুধুমাত্র আপনাদের সুবিধার জন্য। এখানে ৫০টি প্রশ্ন দেওয়া আছে। এই প্রশ্নগুলো চাকরির পরীক্ষা জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ সর্ম্পকে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ৫০টি প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো-

০১। হিলি স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?

ক. সাতক্ষীরা

খ. দিনাজপুর

গ. চুয়াডাঙ্গা

ঘ. ময়মনসিংহ

 

০২। বাংলাদেশের “স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ” কবে গঠন করা হয়?

ক. ১৯৯৯

খ. ২০০০

গ. ২০০১

ঘ. ১৯৯৭

 

০৩। “চিম্বুক পাহাড়” কোথায় অবস্থিত?

ক. খাগড়াছড়ি

খ. বান্দরবান

গ. রাজশাহী

ঘ. সিলেট

 

০৪। বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?

ক. ১৯৭২

খ. ১৯৯৫

গ. ১৯৭৮

ঘ. ১৯৮০

 

০৫। “জাতীয় শিক্ষক দিবস” কত তারিখে পালন করা হয়?

ক. ১৫ নভেম্বর

খ. ১৯ জানুয়ারী

গ. ৭ নভেম্বর

ঘ. ১৭ মার্চ

 

০৬। “জাহান্নাম হতে বিদায়” উপন্যাসটি কার লেখা?

ক. শওকত ওসমান

খ. জহির রায়হান

গ. আনোয়ার পাশা

ঘ. আল মাহমুদ

 

০৭। বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

ক. ১৯৭৫

খ. ১৯৭২

গ. ১৯৭৩

ঘ. ১৯৭৪

 

০৮। “পানিহাটা দীঘি” কোথায় অবস্থিত?

ক. নরসিংদী

খ. শেরপুর

গ. রাজশাহী

ঘ. নওগাঁ

 

০৯। আধুনিক গণতন্ত্রের জনক কে?

ক. মন্টেস্কু

খ. কাল মার্কস

গ. জন লক

ঘ. লামব্রোবসা

 

১০। “সামাজিক চুক্তি” মতবাদা প্রবক্তা কে?

ক. এডাম স্মিথ

খ. জ্যাক রুশো

গ. মন্টেস্কু

ঘ. ডেভিড রিকার্ডো

 

১১। “গুনরাজ খান” কার উপাধি?

ক. বাহারাম খান

খ. মালাধর বসু

গ. মধুসূদন দত্ত

ঘ. মধুসূদন মজুমদার

 

১২। “রামায়ন” মহাকব্যটির রচয়িতা কে?

ক. বেদব্যাস

খ. নবীনচন্দ্র সেন

গ. বাল্মীকি

ঘ. যোগীন্দ্রনাথ বসু

৩। “ঘোড়াদীঘি” কোথায় অবস্থিত?

ক. রাজশাহী

খ. বাগেরহাট

গ. নওগাঁ

ঘ. দিনাজপুর

 

১৪। “দীপু নাম্বার টু” শিশুতোষ চলচিত্রটি কে নির্মাণ করেন?

ক. জহির রায়হান

খ. মোরশেদুল ইসলাম

গ. আনোয়ার হোসেন

ঘ. আওলাদ খান

 

১৫। ঢাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

ক. ১৯৭২

খ. ১৯১৩

গ. ১৯১৯

ঘ. ১৯১০

 

১৬। “সব কটি জানালা খুলে দাও না”। গানটির সুরকার কে?

ক. দ্বিজেন্দ্রলাল

খ. আপেল মাহমুদ

গ. নজরুল ইসলাম বাবু

ঘ. কোনটিই নয়

 

১৭। নিম্নের কোনজন ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

ক. প্রথম চৌধুরী

খ. বিষ্ণু দে

গ. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন

ঘ. মোজাম্মেল হক

 

১৮। ১ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা তৈরি করা হয় কোথা থেকে?

ক. জার্মানী

খ. কানাডা

গ. অষ্ট্রেলিয়া

ঘ. জাপান

 

১৯। বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় কত সালে?

ক. ১৯৯০

খ. ১৯৯১

গ. ১৯৮৮

ঘ. ১৯৮৬

 

২০। সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের কার্যাকাল কত বছর?

ক. ৬০ বছর

খ. ৬২ বছর

গ. ৬৫ বছর

ঘ. ৬৭ বছর

 

২১। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র অ ঝঞঅঞঊ ওঘ ইঙগ এর পরিচালক কে?

ক. দিলদার হোসেন

খ. আবু সায়ীদ

গ. মোস্তফা কামাল

ঘ. জহির রায়হান

 

২২। বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?

ক. ২৫ মার্চ

খ. ১৬ ডিসেম্বর

গ. ২৬ মার্চ

ঘ. ২ মার্চ

 

২৩। ‘নির্মল চর’ কোথায় অবস্থিত?

ক. নাটোর

খ. রাজশাহী

গ. রংপুর

ঘ. বরিশাল

 

২৪। ‘ভবানীগঞ্জের’ বর্তমান নাম কি?

ক. ভোলা

খ. গাইবান্ধা

গ. সিলেট

ঘ. হবিগঞ্জ

 

২৫। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা কুটনীতিক কে?

ক. মাহমুদা হক চৌধুরী

খ. সুফিয়া আখতার

গ. তাহমিনা খান ডলি

ঘ. নাজমুন আরা বেগম

 

২৬। সার্কভূক্ত কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই?

ক. মালদ্বীপ

খ. নেপাল

গ. ভুটান

ঘ. শ্রীলংকা

 

২৭। ১০ টাকার পলিমার নোট কোন দেশ থেকে তৈরি করা হয়?

ক. জার্মানি

খ. অষ্ট্রেলিয়া

গ. জাপান

ঘ. সুইডেন

 

২৮। “প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড” কত সালে গঠিত হয়?

ক. ১৯৯২

খ. ১৯৯৩

গ. ১৯৯০

ঘ. ১৯৯১

 

২৯। বর্তমানে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য প্রদান করে কোন দেশ?

ক. অষ্ট্রেলিয়া

খ. জাপান

গ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ঘ. বৃটেন

 

৩০। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বি.আর.টি.গি. কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

ক. ১৯৬০

খ. ১৯৬৫

গ. ১৯৬২

ঘ. ১৯৬১

 

৩১। ভৈরব ব্রীজ কোন নদীর উপর অবস্থিত?

ক. পদ্মা

খ. মেঘনা

গ. যমুনা

ঘ. কর্ণফুলী

 

৩২। “ভাটিয়ালী” বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?

ক. রংপুর

খ. ময়মনসিংহ

গ. রাজশাহী

ঘ. সিলেট

 

৩৩। “শিশু একাডেমী” প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

ক. ১৯৭৬

খ. ১৯৭৭

গ. ১৯৮৮

ঘ. ১৯৯২

 

৩৪। “মাতা, মাতৃভাষা আর মাতৃভূমি- প্রত্যেক মানুষের পরম শ্রদ্ধার বস্তু” উক্তিটি কার?

ক. ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

খ. রবি ঠাকুর

গ. কাজী নজরুল ইসলাম

ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

 

৩৫। “আমির হামজা” কাব্যটি রচনা করেন –

ক. সৈয়দ আমির আলী

খ. ফকির গরিবুল্লাহ

গ. শাহ মুহাম্মদ সগীর

ঘ. কায়কোবাদ

 

৩৬। শেষ লেখা কি?

ক. কাব্য

খ. গ্রন্থ

গ. পত্রকাব্য

ঘ. নাট্যকাব্য

 

৩৭। ‘সংশপ্তক’ এর রচয়িতা –

ক. কাজী এনামুল হক

খ. শহীদুল্লাহ কায়সার

গ. আবদুল হাকিম

ঘ. টেকচাঁদ ঠাকুর

 

৩৮। “বঙ্গবন্ধু পদক” দেওয়া হয় কোন ক্ষেত্রে?

ক. স্বাধীনাত ক্ষেত্রে অবদানের জন্য

খ. কৃষি ক্ষেত্রে

গ. বিজ্ঞান ক্ষেত্রে

ঘ. চিকিৎসা ক্ষেত্রে

 

৩৯। হিযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরটি স্থপতি-

ক. লারোস

খ. শামীম শিকদার

গ. হামিদুজ্জামান

ঘ. লুই-আই-কান

 

৪০। সোনারগাঁও এর পূর্ব নাম কি?

ক. সোনাপুর

খ. সুধারাম

গ. সুবর্ণগ্রাম

ঘ. চন্দ্রদ্বীপ

 

৪১। বাংলাদেশের জাতীয় মহিলা ক্রীড়া উন্নয়ন সংস্থা কবে গঠিত হয়?

ক. ১৯৭১

খ. ১৯৭২

গ. ১৯৭৬

ঘ. ১৯৭৬

 

৪২। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় –

ক. ১৬ ডিসেম্বর

খ. ১৪ ডিসেম্বর

গ. ২৬ মার্চ

ঘ. ৩১ ডিসেম্বর

 

৪৩। “ক্রীতদাসের হাসি” কার লেখা?

ক. শওকত ওসমান

খ. সুভাষ চন্দ্র বসু

গ. বুদ্ধদেব বসু

ঘ. জীবনানন্দ দাস

 

৪৪। হিরণ পয়েন্ট কি?

ক. একটি ক্রীড়া সংস্থা

খ. একটি বিখ্যাত সাহিত্য

গ. একটি মনোরম স্থান

ঘ. একটি মাদক দ্রব্য

 

৪৫। সংশপ্তক কোথায় অবস্থিত?

ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

খ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে

গ. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে

ঘ. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে

 

৪৬। বাংলাদেশে কোন স্পীকার পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন?

ক. মোহাম্মদ উল্লাহ

খ. শামসুল হুদা চৌধুরী

গ. শাহ আবদুল হামিদ

ঘ. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী

 

৪৭। নর্থবেঙ্গল পেপার মিলে ব্যবহৃত কাঁচামাল কি?

ক. বাঁশ

খ. আখের ছোবড়া

গ. খড়

ঘ. পাটখড়ি

 

৪৮। খাজা আবদুল গণি কর্তৃক আহসান মঞ্জিল নির্মিত হয় কত সালে?

ক. ১৮৩২

খ. ১৮৬২

গ. ১৮৭২

ঘ. ১৮৮২

 

৪৯। ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

ক. চাপাই নবাবগঞ্জ

খ. সিলেট

গ. ঢাকা

ঘ. বাগেরহাট

 

৫০। বাংলাদেশ বিজ্ঞান যাদুঘর ঢাকার কোথায় অবস্থিত?

ক. গুলিস্তান

খ. আগারগাঁও

গ. সেগুনবাগিচা

ঘ. ধানমন্ডি

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ১০০টি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানচাকরি, একাডেমিক কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কিছু সাধারণ জ্ঞান এর প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়, এখন এমন অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হয়, যেখানে কেবল বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নগুলো বিভিন্ন প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে শুধুমাত্র আপনাদের সুবিধার জন্য। কারণ বঙ্গবন্ধু এ স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার। তাই নতুন প্রজন্মকে তাঁর সম্পর্কে আরো বেশি জানা দরকার।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে ১০০টি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো –

প্রশ্ন ১. ‘মুজিব বর্ষ’ কী?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।

 

প্রশ্ন ২. মুজিব বর্ষের সময়কাল কত?

উত্তর: ১৭ মার্চ ২০২০—১৭ মার্চ ২০২১।

 

প্রশ্ন ৩. ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন কে?

উত্তর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

প্রশ্ন ৪. মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় কবে?

উত্তর: ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।

 

প্রশ্ন ৫. মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

উত্তর: তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা।

 

প্রশ্ন ৬. তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন কে?

উত্তর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

প্রশ্ন ৭. মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ওয়েবসাইট তৈরি করেছে কোন প্রতিষ্ঠান/সরকারের কোন বিভাগ?

উত্তর: সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ।

 

প্রশ্ন ৮। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্যে কতজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে?

উত্তর: ৬ জনের।

 

প্রশ্ন ৯. মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার কে?

উত্তর: সব্যসাচী হাজরা।

 

প্রশ্ন ১০. কে কবে মুজিব বর্ষের লোগো উন্মোচন করেন?

উত্তর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ১০ জানুয়ারি ২০২০।

 

প্রশ্ন ১১. মুজিব বর্ষের উদ্বোধন করা হবে কবে?

উত্তর: ১৭ মার্চ ২০২০ (জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে)।

 

প্রশ্ন ১২.ইউনেসকোর কততম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?

উত্তর: ৪০তম।

 

প্রশ্ন ১৩. ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে কত তারিখকে বিমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়?

উত্তর: ১ মার্চ।

 

প্রশ্ন ১৪. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কতটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করবে?

উত্তর: চারটি (একটি স্বর্ণমুদ্রা, একটি স্মারক মুদ্রা, ১০০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট ও ২০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট)।

 

প্রশ্ন ১৫. ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হ্য়ওয়ার কথা ছিল কবে?

উত্তর: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০।

 

প্রশ্ন ১৬. ‘মুজিব বর্ষে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল কার?

উত্তর: নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

প্রশ্ন ১৭. ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক কোন ডিগ্রি প্রদান করা হবে?

উত্তর: ডক্টর অব লজ (মরণোত্তর)।

 

প্রশ্ন ১৮. অমর একুশে বইমেলা ২০২০ কাকে উত্সর্গ করা হয়?

উত্তর: ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে?

 

প্রশ্ন ১৯. মুজিব শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: উত্তরদাতা।

 

প্রশ্ন ২০. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে (বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে)।

 

প্রশ্ন ২১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন কবে?

উত্তর: ১৭ মার্চ ১৯২০।

 

প্রশ্ন ২২. ১৭ মার্চ কী দিবস?

উত্তর: জাতীয় শিশু দিবস।

 

প্রশ্ন ২৩. বঙ্গবন্ধুর পিতার নাম কী?

উত্তর: শেখ লুৎফর রহমান।

 

প্রশ্ন ২৪. বঙ্গবন্ধুর মাতার নাম কী?

উত্তর: সায়েরা খাতুন।

 

প্রশ্ন ২৫. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকনাম কী ছিল?

উত্তর: খোকা।

 

প্রশ্ন ২৬. বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম কী?

উত্তর: বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব (ডাকনাম রেণু)।

 

প্রশ্ন ২৭. বঙ্গবন্ধু কোথায় প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন?

উত্তর: গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

 

প্রশ্ন ২৮. বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন কোন স্কুল থেকে?

উত্তর: গোপালগঞ্জ সেন্ট মথুরানাথ মিশনারি স্কুল থেকে।

 

প্রশ্ন ২৯. বঙ্গবন্ধু কোথা থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন?

উত্তর: কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে।

 

প্রশ্ন ৩০. বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন কবে?

উত্তর: ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে (আইন বিভাগে)।

 

প্রশ্ন ৩১. বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় কোথায় থাকতেন?

উত্তর: কলকাতার বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষে।

 

প্রশ্ন ৩২. ইসলামিয়া কলেজের বর্তমান নাম কী?

উত্তর: মাওলানা আজাদ কলেজ।

 

প্রশ্ন ৩৩. বঙ্গবন্ধুকে কবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়?

উত্তর: ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসে।

 

প্রশ্ন ৩৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে বঙ্গবন্ধুর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেয়?

উত্তর: ১৪ আগস্ট ২০১০।

 

প্রশ্ন ৩৫. বঙ্গবন্ধু কবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন?

উত্তর: ১৯৩৯ সালে গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ার সময়।

 

প্রশ্ন ৩৬. বঙ্গবন্ধু কবে প্রথম কারাবরণ করেন?

উত্তর: ১৯৩৮ সালে (সাত দিন)।

 

প্রশ্ন ৩৭. বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক কারণে প্রথম কবে কারাবরণ করেন?

উত্তর: ১১ মার্চ ১৯৪৮ সালে। (রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে)

 

প্রশ্ন ৩৮. বঙ্গবন্ধু কবে মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর: ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি।

 

প্রশ্ন ৩৯. ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন গঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের কোন পদে ছিলেন?

উত্তর: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

 

প্রশ্ন ৪০. বঙ্গবন্ধু কবে আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হন?

উত্তর: ৯ জুলাই ১৯৫৩ (১৯৫৩-১৯৬৬)।

 

প্রশ্ন ৪১. বঙ্গবন্ধু ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কোন আসন থেকে নির্বাচিত হন?

উত্তর: গোপালগঞ্জ।

 

প্রশ্ন ৪২. যুক্তফ্রন্ট সরকারে বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান?

উত্তর: কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন (১৯৫৪ সালের ১৫ মে)।

 

প্রশ্ন ৪৩. বঙ্গবন্ধু কবে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?

উত্তর: ১৯৬৬ সালের ১ মার্চ (ষষ্ঠ কাউন্সিলে)।

 

প্রশ্ন ৪৪. বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করা হয়?

উত্তর: ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি।

 

প্রশ্ন ৪৫. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রকৃত নাম কী?

উত্তর: ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য’।

 

প্রশ্ন ৪৬. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার শুরু হয় কবে?

উত্তর: ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন (ঢাকা সেনানিবাসে)।

 

প্রশ্ন ৪৭. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামি ছিল কতজন?

উত্তর: ৩৫ জন (বঙ্গবন্ধুসহ)।

 

প্রশ্ন ৪৮. বঙ্গবন্ধু কবে ছয় দফা দাবি ঘোষণা করেন?

উত্তর: ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি (লাহোরে)।

 

প্রশ্ন ৪৯. বঙ্গবন্ধু কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা দাবি ঘোষণা করেন?

উত্তর: ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ ।

 

প্রশ্ন ৫০. বঙ্গবন্ধু কবে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন?

উত্তর: ১৯৬০ সালে।

 

প্রশ্ন ৫১. বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয় কবে?

উত্তর: ১৯৬৪ সালের ১১ মার্চ।

 

প্রশ্ন ৫২. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুকে কবে মুক্তি দেওয়া হয়?

উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।

 

প্রশ্ন ৫৩. শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয় কবে?

উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ।

 

প্রশ্ন ৫৪. শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন কে?

উত্তর: তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

 

প্রশ্ন ৫৫. বঙ্গবন্ধু কবে ‘বাংলাদেশ’ নামকরণ করেন?

উত্তর: ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর।

 

প্রশ্ন ৫৬. বঙ্গবন্ধু কত তারিখে জনসভায় ৬ দফার প্রশ্নে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান?

উত্তর: ১৯৭০ সালের ৭ জুন রেসকোর্স ময়দানের জনসভায়।

 

প্রশ্ন ৫৭. ১৭ অক্টোবর ১৯৭০ বঙ্গবন্ধু তাঁর দলের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে কোন প্রতীক পছন্দ করেন?

উত্তর: নৌকা।

 

প্রশ্ন ৫৮. বঙ্গবন্ধুকে কবে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়?

উত্তর: ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।

 

প্রশ্ন ৫৯. কবে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন?

উত্তর: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ।

 

প্রশ্ন ৬০. কোথায় বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দেন?

উত্তর: রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)।

 

প্রশ্ন ৬১. কোন ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দেন?

উত্তর: ৭ মার্চের ভাষণে।

 

প্রশ্ন ৬২. ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু কয়টি দাবি উপস্থাপন করেন?

উত্তর: ৪টি।

 

প্রশ্ন ৬৩. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কী নামে প্রচারিত হতো?

উত্তর: বজ্রকণ্ঠ নামে।

 

প্রশ্ন ৬৪. বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন কবে?

উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে।

 

প্রশ্ন ৬৫. পাকিস্তান সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে কখন গ্রেপ্তার করে?

উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ (প্রথম প্রহরে)।

 

প্রশ্ন ৬৬. মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

 

প্রশ্ন ৬৭. পাকিস্তানের ২৪ বছরে বঙ্গবন্ধু কত বছর কারাগারে কাটিয়েছেন?

উত্তর: ১২ বছর।

 

প্রশ্ন ৬৮. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

 

প্রশ্ন ৬৯. বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘জয় মুজিবুর’ কবিতাটি কে লেখেন?

উত্তর: অন্নদাশঙ্কর রায়।

 

প্রশ্ন ৭০. ‘বঙ্গবন্ধু’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর: জসীমউদ্দীন (১৬ মার্চ ১৯৭১)।

 

প্রশ্ন ৭১. বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান সরকার কবে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়?

উত্তর: ৮ জানুয়ারি ১৯৭২।

 

প্রশ্ন ৭২. বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে কয়টি দেশ হয়ে বাংলাদেশে আসেন?

উত্তর: দুটি (ইংল্যান্ড ও ভারত)।

 

প্রশ্ন ৭৩. বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে প্রথমে কোন দেশে যান?

উত্তর: ইংল্যান্ড (লন্ডন)।

 

প্রশ্ন ৭৪. লন্ডনে কার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎ হয়?

উত্তর: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে (৯ জানুয়ারি ১৯৭২)।

 

প্রশ্ন ৭৫. লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে বঙ্গবন্ধু কোথায় যাত্রাবিরতি করেন?

উত্তর: দিল্লি (ভারত)।

 

প্রশ্ন ৭৬. বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে কে কে স্বাগত জানান?

উত্তর: ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

 

প্রশ্ন ৭৭. বঙ্গবন্ধু কত তারিখে দেশে ফেরেন?

উত্তর: ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ (স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস)।

 

প্রশ্ন ৭৮. বঙ্গবন্ধু কত তারিখে অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন?

উত্তর: ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি।

 

প্রশ্ন ৭৯. বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কবে?

উত্তর: ১২ জানুয়ারি ১৯৭২।

 

প্রশ্ন ৮০. বঙ্গবন্ধু কবে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন?

উত্তর: ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

 

প্রশ্ন ৮১. বঙ্গবন্ধু কবে ‘জুলিও কুরি’ পুরস্কারে ভূষিত হন?

উত্তর: ১০ অক্টোবর ১৯৭২ (পুরস্কারে ভূষিত করে বিশ্ব শান্তি পরিষদ)।

 

প্রশ্ন ৮২. বঙ্গবন্ধু কবে বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তারিখ (৭ মার্চ ১৯৭৩) ঘোষণা করেন?

উত্তর: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।

 

প্রশ্ন ৮৩. কত তারিখে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষর করেন?

উত্তর: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭২।

 

প্রশ্ন ৮৪. বঙ্গবন্ধু কবে ‘জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন’–এর শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আলজেরিয়া যান?

উত্তর: ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।

 

প্রশ্ন ৮৫. বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের যে কারাগারে বন্দী ছিলেন?

উত্তর: মিয়ানওয়ালি কারাগার।

 

প্রশ্ন ৮৬. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারে পরিচালিত অভিযানের নাম কী?

উত্তর: অপারেশন ‘বিগবার্ড’।

 

প্রশ্ন ৮৭. বঙ্গবন্ধু কবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন?

উত্তর: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর (২৯তম অধিবেশনে)।

 

প্রশ্ন ৮৮. স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বিশ্বের কতটি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?

উত্তর: ১৩০টি।

 

প্রশ্ন ৮৯. বঙ্গবন্ধুর রচিত কতটি বই প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: ৩টি (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন)।

 

প্রশ্ন ৯০. বঙ্গবন্ধু প্রকাশিত প্রথম বই কোনটি?

উত্তর: অসমাপ্ত আত্মজীবনী (প্রকাশিত হয় জুন ২০১২ সালে)।

 

প্রশ্ন ৯১. অসমাপ্ত আত্মজীবনী কতটি ভাষায় অনূদিত হয়?

উত্তর: ১৩টি (সর্বশেষ ইতালীয় ভাষায়, অনুবাদক আন্না কোক্কিয়ারেল্লা)

 

প্রশ্ন ৯২. বঙ্গবন্ধুর প্রকাশিত দ্বিতীয় বই কোনটি?

উত্তর: কারাগারের রোজনামচা (প্রকাশিত হয় ১৭ মার্চ ২০১৭)।

 

প্রশ্ন ৯৩. কারাগারের রোজনামচা কতটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?

উত্তর: ২টি (সর্বশেষ অসমীয়া ভাষা, অনুবাদ সৌমেন ভারতীয়)।

 

প্রশ্ন ৯৪. বঙ্গবন্ধুর প্রকাশিত সর্বশেষ বইয়ের নাম কী?

উত্তর: আমার দেখা নয়াচীন (প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি বইমেলা ২০২০)।

 

প্রশ্ন ৯৫. বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বইয়ের নাম কী?

উত্তর: শেখ মুজিব আমার পিতা।

 

প্রশ্ন ৯৬. বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মুজিব ভাই বইটি কে লিখেছেন?

উত্তর: এবিএম মূসা।

 

প্রশ্ন ৯৭. বঙ্গবন্ধুকে কবে সপরিবারে হত্যা করা হয়?

উত্তর: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট (১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস)।

 

প্রশ্ন ৯৮. বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের আদালতে বিচার শুরু হয় কবে?

উত্তর: ১২ মার্চ ১৯৯৭।

 

প্রশ্ন ৯৯. বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার শেষ হয় কবে?

উত্তর: ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি।

 

প্রশ্ন ১০০. বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।

দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস প্রিপারেশনবর্তমান বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বে প্রতিনিয়তই দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কে ঘটে চলেছে নানা ধরনের ঘটনা। বদলে যাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ এবং গড়ে উঠছে নানা জোট ও পাল্টা জোট। নিচে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর থাকছে গুরুত্বপূর্ণ নানা প্রশ্ন ও উত্তর।

চীন ও তাইওয়ান দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত

প্রশ্ন ১ : তাইওয়ানের অবস্থান কোথায়?
উত্তর : চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ১০০ মাইল দূরে।

প্রশ্ন ২ : বিশ্বের কয়টি রাষ্ট্র তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
উত্তর : মাত্র ১৩টি।

প্রশ্ন ৩ :তাইওয়ানের স্বাধীনতা | সমর্থনকারী সংস্থার নাম কী?
উত্তর : তাইওয়ান ফাউন্ডেশন ফর ডেমােক্রেসি এবং ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ড।

প্রশ্ন ৪ : কত সালের আইন অনুযায়ী তাইওয়ান দ্বীপের রক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
উত্তর : ১৯৭৯ সালের আইন।

প্রশ্ন ৫ : তাইওয়ানের নতুন ‘দক্ষিণ বন্ধননীতি’র উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : তাইপের সঙ্গে আসিয়ান, দক্ষিণ এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের সম্পর্ক দৃঢ় করা।

প্রশ্ন ৬ : ২ আগস্ট ২০২২ ন্যান্সি পেলােসি তাইওয়ান সফর করায় চীন কোথায় সামরিক মহড়া পরিচালনা করে?
উত্তর : তাইওয়ান প্রণালিতে।

প্রশ্ন ৭ : ২৮ আগষ্ট ২০২২ তাইওয়ান প্রণালিতে মহড়া পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ দুটির নাম কী?
উত্তর : মিসাইল ক্রুজার ইউএসএস অ্যান্টিটাম এবং ইউএসএস চ্যান্সেলর সভিল।

প্রশ্ন ৮ :চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ‘নয়া লং মার্চ’-এর উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে সৃষ্ট সব বাধা মােকাবিলা করা।

দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

প্রশ্ন ৯ : নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া এবং জার্মানি ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক
চুক্তি করেছিল কত সালে?
উত্তর : ২০১৫ সালে।

প্রশ্ন ১০ : নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য ও জার্মানিকে নিয়ে ছয় জাতির সঙ্গে ইরান যে চুক্তি করে, তার নাম কী?
উত্তর : জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন।

প্রশ্ন ১১ : কত সালে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন চুক্তি কার্যকর হয়?
উত্তর : ২০১৫ সালে।

প্রশ্ন ১২ : যুক্তরাষ্ট্র জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় কবে?
উত্তর : ২০১৮ সালে।

প্রশ্ন ১৩: আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইরানকে জ্বালানি খাতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি আহরণের মাত্রা বেঁধে দেয় কত শতাংশ?
উত্তর : ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

প্রশ্ন ১৪ : জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
উত্তর : ইরান পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে ইরানের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

প্রশ্ন ১৫ : ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরােপ করে কত সালে?
উত্তর : ১৯৭৯ সালে।

প্রশ্ন ১৬ : ১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশের বিদ্রোহীদের সহযােগিতার জন্য ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে?
উত্তর : নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীদের।

প্রশ্ন ১৭ :ইরানের কোন প্রেসিডেন্ট ডলারের বিনিময়ে ইরানের তেলসম্পদের মােট মজুতের ৮০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের
হাতে তুলে দেয়?
উত্তর : মুহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি।

প্রশ্ন ১৮ :পশ্চিমা স্বার্থসহায়ক মুহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি ক্ষমতায় আসেন কত সালে?
উত্তর : ১৯৫৩ সালে।

প্রশ্ন ১৯ : কত সালে মুহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির পতন হয়?
উত্তর : ১৯৭৯ সালে।

দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত

প্রশ্ন ২০ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
উত্তর : ১৯ মার্চ ১৯৭২।

প্রশ্ন ২১ : বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
উত্তর : ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬।

প্রশ্ন ২২ : বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
উত্তর : ৩০ বছর।

প্রশ্ন ২৩: বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
উত্তর : ২০২৬ সালে।

প্রশ্ন ২৪ : কত তারিখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিনিময়ের মাধ্যমে ছিটমহলের মানবিক সমস্যার সমাধান হয়?
উত্তর : ১ আগস্ট ২০১৫।

প্রশ্ন ২৫ :ভারত কত তারিখে ও কোন বন্দর দিয়ে ট্রানজিট চুক্তির আওতায় মেঘালয়ে পণ্য পরিবহন শুরু করে?
উত্তর :১০ আগষ্ট ২০২২ তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে।

প্রশ্ন ২৬ : বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
উত্তর : ৫৪টি।

প্রশ্ন ২৭ : বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC) গঠিত হয় কত সালে?
উত্তর : ১৯৭২ সালে।

প্রশ্ন ২৮ : কোন নদীর ওপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছে?
উত্তর : ফেনী নদী।

প্রশ্ন২৯ : বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলােমিটার।

প্রশ্ন ৩০ : বাংলাদেশ ভারতের কাছ সমুদ্রসীমা জয়লাভ করে কত তারিখে?
উত্তর : ৭ জুলাই ২০১৪।

প্রশ্ন ৩১ : বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে কত বর্গকিলােমিটার সমুদ্র এলাকা লাভ করে?
উত্তর : ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলােমিটার।

প্রশ্ন ৩২ : কোন আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলােমিটার সমুদ্র এলাকা জয়লাভ করে?
উত্তর : নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিসি আদালত।

প্রশ্ন ৩৩ : রামপালে সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ উদ্বোধন করেন কে?
উত্তর : ভার্চুয়ালি বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারপ্রধান।

প্রশ্ন ৩৪ : কত তারিখে রামপালে সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ উদ্বোধন করা হয়?
উত্তর : ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২।

প্রশ্ন ৩৫ : বাংলাদেশ ও ভারত রামপালে সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎতের কী পরিমাণ পাবে?
উত্তর : ৫০:৫০।

প্রশ্ন ৩৬ : রামপালের সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মােট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা কত?
উত্তর : ১হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।

প্রশ্ন ৩৭ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে তৃতীয় ট্রেন ‘মিতালী এক্সপ্রেস’ বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়েছে কখন?
উত্তর : ২০২২ সালে।

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীন সম্পর্ক

প্রশ্ন ৩৮ : সম্প্রতি যুদ্ধক্ষেত্রে কোন দেশ পােড়ামাটি নীতি গ্রহণ করেছে?
উত্তর : মিয়ানমার।

প্রশ্ন ৩৯ : কত সালে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা রােহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করে?
উত্তর : ১৯৮২ সালে।

প্রশ্ন ৪০ : জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে রােহিঙ্গারা প্রথম কত সালে বাংলাদেশে আসে?
উত্তর : ১৯৭৮ সালে।

প্রশ্ন ৪১ : আট লক্ষাধিক রােহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কত সালে?
উত্তর ৪২ : ২০১৭ সালে।

প্রশ্ন ৪৩ : কখন রাখাইনে ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চালানাে হয়?
উত্তর : ২০১৭ সালে।

প্রশ্ন ৪৪ : কত তারিখে বাংলাদেশ মিয়ানমার রােহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করে?
উত্তর : ২৩ নভেম্বরের ২০১৭।

প্রশ্ন ৪৫ : রােহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠানাের বিষয়ে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামের চুক্তি চূড়ান্ত হয় কত তারিখে?
উত্তর : ১৬ জানুয়ারি ২০১৮।

প্রশ্ন ৪৬ : সম্প্রতি মিয়ানমার বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোথায় গােলা ছােড়ে?
উত্তর : বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার এলাকায়।

প্রশ্ন ৪৭ : কোন দুটি দেশের মধ্যে মংডু সীমান্ত অবস্থিত?
উত্তর : বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

প্রশ্ন ৪৮ : চীন রাখাইনের কোন স্থানে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তুলছে?
উত্তর : কিয়াকফুতে।

প্রশ্ন ৪৯ : কোন প্রজেক্ট ভারতের কলকাতা বন্দরকে রাখাইন রাজ্যের সিটওয়ে (আকিয়াব) বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে?
উত্তর : কালাদান মাল্টিমােডাল ট্রানজিট ট্রান্সপাের্ট প্রজেক্ট।

চীন-ভারত সম্পর্ক

প্রশ্ন ৫০ : চীনের অর্থনীতির আয়তন ভারতের কত গুণ?
উত্তর : পাঁচ গুণ।

প্রশ্ন ৫১ : নাথুলা গিরিপথ কোন দুটি দেশকে যুক্ত করেছে?
উত্তর : ভারত ও চীন।

প্রশ্ন ৫২ : ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ময়দান কোথায় ছিল?
উত্তর : পূর্ব লাদাখ।

প্রশ্ন ৫৩ : ২০২১ সালে কোন দুটি দেশ ভুটানের ডােকলাম মালভূমিতে মুখােমুখি অবস্থান নেয়?
উত্তর : চীন ও ভারত।

প্রশ্ন ৫৪ : ভুটানের ডােকলাম মালভূমিতে ভারত ও চীনা সেনার সংঘর্ষ হয় কত সালে?
উত্তর : ২০১৭ সালে।

প্রশ্ন ৫৫ : গালওয়ান উপত্যকার মালিকানা নিয়ে চীন ও ভারত কবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায়?
উত্তর : ১৫ জুন ২০২০।

প্রশ্ন ৫৬ : দক্ষিণ চীন সাগরে ভারত যুদ্ধজাহাজ মােতায়েন করে কত সালে?
উত্তর : ২০২০ সালে।

প্রশ্ন ৫৭ : প্যাংগং হ্রদের উত্তর পাড়ের পূর্ব লাদাখ অঞ্চলকে কী বলে?
উত্তর : ফিঙ্গার-ফাইভ।

চীন-পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলাের সম্পর্ক

প্রশ্ন ৫৮ : দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‘গ্রে জোন’ কৌশলটি মূলত কী?
উত্তর : যুদ্ধ নয় কিন্তু যুদ্ধের মতাে কর্মকাণ্ড।

প্রশ্ন ৫৯ : দক্ষিণ চীন সাগরের প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ চীনের দখলে থাকলেও মালিকানা দাবি করে কোন দুটি দেশ?
উত্তর : ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।

প্রশ্ন ৬০ : কোন দুটি দেশ প্যারাসেল দ্বীপটিকে এখনাে নিজেদের বলে দাবি করে?
উত্তর : ভিয়েতনাম ও চীন।

সিরিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া

প্রশ্ন ৬১ : বাশার আল-আসাদ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হন কত সালে?
উত্তর : ২০০০ সালে।

প্রশ্ন ৬২ : ২০১০ সালে তিউনিসিয়ায় আরব বসন্তের সূচনার মধ্য দিয়ে সিরিয়াজুড়ে গণ-আন্দোলন শুরু কত তারিখে?
উত্তর : ১৫ মার্চ ২০১১।

প্রশ্ন ৬৩ : বাথ পার্টি সিরিয়া শাসন করছে কত বছর ধরে?
উত্তর : ৪০ বছর ধরে।

প্রশ্ন ৬৪ : বাশার আল-আসাদ সরকারের সমর্থনে রাশিয়া কবে সিরিয়া যুদ্ধে প্রকাশ্যে জড়িয়ে পড়ে?
উত্তর : ২০১৫ সালে।

প্রশ্ন ৬৫ : কোন দেশের গৃহযুদ্ধ স্মরণকালের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটের জন্ম দিয়েছে?
উত্তর : সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ।

প্রশ্ন ৬৬ : সিরিয়ায় সামরিক বাহিনীর বিদ্রোহীরা ফ্রি সিরিয়ান আর্মি গঠনের ঘােষণা দেয় কত সালে?
উত্তর : ২০১১ সালে।

প্রশ্ন ৬৭ : ইসলামিক স্টেটে (আইএস) ইরাক ও সিরিয়ার একটা বড় অংশ দখল করে খেলাফত ঘােষণা করে কখন?
উত্তর : ২০১৪ সালে।

প্রশ্ন ৬৮ : তুরস্ক ফ্রি সিরিয়ান বিদ্রোহী আর্মিকে সরাসরি মদদ দেয় কখন?
উত্তর : ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ।

প্রশ্ন ৬৯ : ইসলামিক স্টেট (আইএস) সিরিয়ার পাকাপােক্তভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসে কখন?
উত্তর :২০১৬ সালে।

প্রশ্ন ৭০ : যুক্তরাষ্ট্র আইএসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরােধী যুদ্ধ শুরু করে কত সালে?
উত্তর : ২০১৪ সালে।

প্রশ্ন ৭১ : রাশিয়া কত সালে সরকারবিরােধী বিদ্রোহী ফ্রি সিরিয়ান আর্মি ও আইএসকে সন্ত্রাসী গােষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করে?
উত্তর : ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে।

প্রশ্ন ৭২ : আসাদবিরােধী সিরিয়ান ডেমােক্রেটিক ফোর্সের (এসডিএফ) সাহায্যের জন্য পশ্চিমারা সিরিয়ায় হামলা অব্যাহত রেখেছে কত সাল থেকে?
উত্তর : ২০১৪ সাল থেকে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক

প্রশ্ন ৭৩ : বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে থাকা করিডরটির নাম কী?
উত্তর : শিলিগুড়ি করিডর।

প্রশ্ন ৭৪ : শিলিগুড়ি করিডরটি কত কিলােমিটার লম্বা?
উত্তর : ৬০ কিলােমিটার।

প্রশ্ন ৭৫ : কোনটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সেভেন সিস্টার্সে যােগাযােগের একমাত্র পথ?
উত্তর : শিলিগুড়ি করিডর।

প্রশ্ন ৭৬ : ২০২০-২১ অর্থবছরে কোন দেশটি মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি বিনিয়ােগ করেছে?
উত্তর : সিঙ্গাপুর।

প্রশ্ন ৭৭ : ২০২২ সালে আসিয়ানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
উত্তর : কম্বােডিয়ায়।

প্রশ্ন ৭৮ : ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্ত কত কিলােমিটার?
উত্তর : ১ হাজার ৬০০ কিলােমিটার

প্রশ্ন ৭৯ : কোন আঞ্চলিক জোট চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ঠান্ডা যুদ্ধে বাফার জোনের মতাে কাজ করে?
উত্তর : আসিয়ান জোট।

প্রশ্ন ৮০ : আসিয়ান জোট মিয়ানমারকে বাধাহীন মানবিক প্রবেশাধিকার দিতে কত দফা ঐকমত্যের অঙ্গীকার মেনে চলার জন্য জোর দেয়?
উত্তর : পাঁচ দফা।